এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,২০ জুন : ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গকে ভারতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত পাশ হয়েছিল বাংলার প্রাদেশিক আইনসভায়। তার নেপথ্যে প্রধান ভূমিকা ছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের । যদিও পূর্বতন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এই বিশেষ দিনটিকে “পশ্চিমবঙ্গে দিবস” হিসাবে স্বীকৃতি দেয়নি । রাজ্যে ক্ষমতায় এসে সরকারিভাবে এই দিনটি “পশ্চিমবঙ্গে দিবস” হিসাবে পালন করা শুরু করল বিজেপি । স্বাধীনতার পর এই প্রথম এই দিনটি পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসাবে পালন করা হল ।
এই উপলক্ষে আজ শনিবার হুগলির তারকেশ্বরে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । সভায় তিনি বলেন,”একটা সময়ে পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছিল। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছিল কংগ্রেসও। সেই সময় রুখে দাঁড়িয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।” তার আগে তিনি এক্স-এ লেখেন,”সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতায় ভারতের ইতিহাস ও জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে পশ্চিমবঙ্গ । পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসাবে থাকবে। এর নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অমূল্য অবদান ছিল। ২০২৬ সালে আমরা তাঁর ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী পালন করছি।”
আজ দুপুরে দমদম বিমানবন্দরে নেমে কপ্টারে করে হুগলির তারকেশ্বরের সভার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী৷ প্রধানমন্ত্রীকে মঞ্চে ডোকরার দুর্গামূর্তি, তারকনাথের ছবি এবং বাংলার ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লা ও জলভরা সন্দেশ দিয়ে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল আর. এন. রবিও।মঞ্চসজ্জার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মঞ্চ সাজাতে তাইল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে অ্যান্থোরিয়াম। তামিলনাড়ুর উটি থেকে আনা হয়েছে জারবেরা এবং লিলি। এ ছাড়া, পাঁচ রকমের গোলাপ, ব্লু ডেইজ়ি, রজনীগন্ধা, গাঁদার মতো ফুল দিয়ে সাজানো হয় মঞ্চ । প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে আঁটসাঁট নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয় তারকেশ্বরের সভাস্থলকে। প্রচুর পরিমাণে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়।আগামীকাল যোগ দিবসে কলকাতার রেড রোডের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ।।
