এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,২৯ মে : আদালতের শুনানি চলাকালে একজন নারী বিচারক পাশের কক্ষে একজন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যৌনমিলনে লিপ্ত হয়েছেন। মামলাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা ফেডারেল আদালতের। ফেডারেল বিচারক এলিনর রস এবং একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে একটি দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল; উভয়েই আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন। তারা প্রায়শই আদালতকক্ষে যৌনমিলনে লিপ্ত হতেন।
জর্জিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের বিচারক এলিনর রস, তাদের যৌনমিলনের সময় শুনে ফেলা সহকর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে চিঠি লিখতে রাজি হয়েছেন। তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়নি । যার সাথে যার অবৈধ সম্পর্ক ছিল, তিনি হলেন আটলান্টা পুলিশের ডেপুটি চিফ কেলি কলিয়ার। বিচারক রস ডিকাল্ব কাউন্টির বিচারক ব্রায়ান রসের সাথে বিবাহিত। তিনি জর্জিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টে ফেডারেল বিচারক হওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী ।
বারাক হুসেন ওবামা-নিযুক্ত ফেডারেল বিচারক এলেনর রসকে ব্যক্তিগতভাবে তিরস্কার করা হয়েছে। একটি বিচার বিভাগীয় প্যানেল এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, তিনি দুই বছর ধরে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত ছিলেন এবং কর্মঘণ্টার মধ্যে তাঁর আদালতের কক্ষে বারবার যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতেন, যার শব্দ তাঁর আইন সহকারীরাও শুনতে পেতেন।
বিবাহিত এই বিচারক প্রথমে সম্পর্কটি অস্বীকার করেন এবং তথ্য ফাঁসকারী এক সহকারীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনেন, পরে তিনি ঘটনাটি স্বীকার করেন। প্যানেল এটিকে “বিচারবুদ্ধির চরম অভাব” বলে অভিহিত করেছে, যা কর্মীদের জন্য একটি উদ্বেগজনক কর্মক্ষেত্র তৈরি করেছিল।
২০১৪ সালে নিয়োগ নিশ্চিত হওয়া রস সেই একই বিচারক, যিনি টড ক্রিসলিকে ১২ বছরের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছিলেন (পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁকে ক্ষমা করে দেন)। মার্কিন ফেডারেল বিচারকদের নিয়োগ আজীবনের জন্য হয় এবং তাঁদের জবাবদিহিতার সুযোগ খুবই সীমিত। এই ঘটনাটি মার্কিন বিচারকদের আচরণের মান নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।।
