আদি শঙ্করাচার্য বিরচিত অষ্টাদশ শক্তিপীঠ স্তোত্রম্ দেবী সতীর ১৮টি প্রধান শক্তিপীঠের মহিমা বর্ণনা করে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় এই স্তোত্র পাঠ করলে শত্রুনাশ, রোগমুক্তি এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ হয়।
এই স্তোত্রে উজ্জয়িনী, পীঠিকা, ওঢ্যা, দক্ষবাটিকা, হরিক্ষেত্র, প্রয়াগ, জ্বালা, গয়া, বারাণসী এবং কাশ্মীরের বিভিন্ন শক্তিপীঠের উল্লেখ রয়েছে। স্তোত্রটি পাঠ করলে শত্রুর বিনাশ এবং রোগ মুক্তির কথা বলা হয়েছে।
লঙ্কায়াং শাঙ্করীদেবী কামাক্ষী কাঞ্চিকাপুরে ।
প্রদ্যুম্নে শৃঙ্খলাদেবী চামুন্ডী ক্রৌংচপট্টণে ॥১॥
অলংপুরে জোগুলাংবা শ্রীশৈলে ভ্রমরাম্বিকা ।
কোল্হাপুরে মহালক্ষ্মী মুহুর্য়ে একবীরা ॥২॥
উজ্জয়িন্যাং মহাকালী পীঠিকায়াং পুরুহূতিকা ।
ওঢ্ য়ায়াং গিরিজাদেবী মাণিক্যা দক্ষবাটিকে ॥৩॥
হরিক্ষেত্রে কামরূপী প্রয়াগে মাধবেশ্বরী ।
জ্বালায়াং বৈষ্ণবীদেবী গয়া মাঙ্গল্যগৌরিকা ॥৪॥
বারণাশ্যাং বিশালাক্ষী কাশ্মীরেতু সরস্বতী ।
অষ্টাদশ সুপীঠানি যোগিনামপি দুর্লভম্ ॥৫॥
সায়ংকালে পঠেন্নিত্য়ং সর্বশত্রুবিনাশনম্ ।
সর্বরোগহরং দিব্যং সর্বসংপত্করং শুভম্ ॥৬॥
