এইদিন ওয়েবডেস্ক,পূর্ব মেদিনীপুর,০৬ মে : গত ৪ঠা মে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসার খবর সামনে আসছে । ইতিমধ্যেই ৪ জন খুন হয়ে গেছেন । পাশাপাশি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় দখল বা ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও সামনে আসছে । হিংসা বন্ধের জন্য ইতিমধ্যেই কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য । একই বার্তা দিলেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী । তিনি আজ বুধবার নন্দীগ্রামে আয়োজিত একটি সভায় হিংসা বন্ধ করার আবেদন জানিয়ে বলেছেন,’অত্যাচারিনী মমতা আক্রমণ ভুলিনি । তবে সব আইনি পথে হবে । আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না ।’
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন,’কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ায়, তাই বলে কুকুরের পায়ে মানুষ কামড়ায় না। আইন নিজের হাতে নেবেন না । আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি,বিজেপির সরকার গঠন করার পর প্রতিটা মামলা পুনরায় খুলবে এবং আমরা ব্যবস্থা নেব ।’ তিনি বলেন,’দুটো মন্ত্রে আমি এগারোর পরিবর্তনে ছিলাম । এবারে আসল পরিবর্তনেও আমি ছিলাম । মন্ত্র দুটো হলো ধৈর্য এবং সহ্য । অনেক সহ্য করেছি ।’ তিনি বলেন,’আমার ৯০ বছরের বৃদ্ধ বাবা মাকে সিআইডি পাঠিয়ে এই অত্যাচারিনী মমতা আক্রমণ করেছিল৷ নন্দীগ্রামের এমএলএ অফিসে দেড়শ পুলিশ ঢুকিয়েছে । সোনাচূড়া এবং গোকুলনগরে ২০২১ সালের ১০ নভেম্বর এবং ২০২২ সালের ১৪ মার্চ আমাকে পুষ্পার্ঘ পর্যন্ত দিতে দেয়নি। আমাকে হাইকোর্ট থেকে অর্ডার করে শহীদ মিনারে মালা দিতে হয়েছে। ভুলিনি ।’
এরপর তিনি বলেন,’তবে সব আইনি পথে হবে । ওরা যা করেছে আপনারা তা করবেন না । গোটা রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বলব শান্তি রাখুন । ভারতীয় জনতা পার্টিকে একবার মানুষ এনেছে । আমরা এমন ভাল কাজ করবো যে ১০০ বছর বিজেপি থাকবে । আমরা আমাদের সংকল্পপত্র পূরণ করব । ওই পাপীদের অফিসে হাত দেবেন না । উপেক্ষা করুন ।’
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন,’অনেক জিনিস আছে না বলে করতে হয়। সেই কাজগুলো আমি করব। আমাকে চেনেন তো ? বিশ্বাস আছে ? বৃক্ষ তুমি কে ফলেন পরিচয় ।’ পাশাপাশি তিনি আহ্বান জানান, আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যেন বিজয় মিছিল না করা হয় । তিনি বলেন,’একটা লোক অপরাধী হতে পারে কিন্তু তার বাবা-মা, তার বাড়ির ছেলে মেয়ে ছোট বাচ্চারা কোন অপরাধ করেনি।’।
