এক প্রবাসী যুবকের স্ত্রীর কীর্তিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশে । স্বামীর বিদেশে থাকার সুযোগে অর্ধ শতাধিক পুরুষের সঙ্গে শারিরীক সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে ওই মহিলার বিরুদ্ধে । স্বামী বিদেশ থেকে ফিরে এসে স্ত্রীর ডিএনএ টেস্ট করলে এই সত্য উদঘাটন হয় বলে দাবি করা হচ্ছে । বাংলাদেশ ফেনীর সদর উপজেলার বালিগাঁও ইউনিয়নের ঘটনা ।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের খবর, প্রতারিত স্বামীর নাম নুরুল আলম । তিনি বালিগাঁও ইউনিয়নের মজনু হকের পুত্র । ২০১৫ সালে একই ইউনিয়নের তাহের আহম্মদের মেয়ে লিমা আক্তারের সাথে তার বিয়ে হয় । নুরুল আলম জানান, ২০২০ সাল থেকে তিনি প্রবাসে থাকাকালীন তার স্ত্রীর আচার-আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। ফোনে কথা বলা এবং চলাফেরায় অসংগতি দেখে তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তিনি দেশে ফিরে স্ত্রীর পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ার বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে নিশ্চিত হন।
এরপর নুরুল আলম তার স্ত্রী লিমা আক্তারের ডিএনএ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেন । কিন্তু রিপোর্ট পাওয়ার পর তার চোখ কার্যত কপালে উঠে যায় । কারন স্ত্রীর শরীরে একসাথে ৪৭ জনের সঙ্গে সঙ্গমের প্রমান মিলেছে বলে বলে দাবি করেছেন নুরুল আলম । তিনি জানিয়েছেন, ডিএনএ রিপোর্টের এমন ভয়াবহ তথ্যে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এই ঘটনার বিষয়ে চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপ বা পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, সে সম্পর্কে তিনি এখনো পুরোপুরি ভেবে উঠতে পারেননি । আপাতত তিনি তার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন । যদিও এই বিষয়ে অভিযুক্ত স্ত্রী লিমা আক্তারের কোনো মতামত পাওয়া যায়নি ।।
