এইদিন ওয়েবডেস্ক,ভোপাল,১৩ এপ্রিল : মধ্যপ্রদেশের ধর জেলায় লাভ জিহাদের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে । যেখানে নিজেকে “আদিত্য ঠাকুর” নামে পরিচয় দিয়ে এক দলিত তরুণীকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে বারবার ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল হাদী পাঠান নামে এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে । সে তরুনীকে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দেয় । অস্বীকার করলে প্রাণে মারার হুমকি পর্যন্ত দেয় বলে অভিযোগ । তরুনীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওই লাভ জিহাদিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে এবং তাকে অর্ধনগ্ন করে রাস্তায় ঘোরায় । সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ।
ভুক্তভোগী তরুনী পুলিশের কাছে করা অভিযোগে জানিয়েছেন যে, প্রায় দুই বছর আগে মহেশ্বর বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি মোবাইলের দোকানে “আদিত্য ঠাকুর” নামে এক যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে এবং ধীরে ধীরে তাকে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলে। অভিযোগ যে, ২০২৫ সালের ১০ই ডিসেম্বর ওই যুবক তাকে ধামনোদের একটি হোটেলে নিয়ে যায়, যেখানে সে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর সে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করতে থাকে। হোটেলে পৌঁছানোর পর, ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্তের পকেটে তার আধার কার্ডের একটি অনুলিপি খুঁজে পান, যা থেকে তার আসল পরিচয় “আব্দুল হাদী পাঠান” হিসেবে প্রকাশ পায়। তরুনী তাকে প্রশ্ন করলে, অভিযুক্ত তাকে হুমকি দেয় এবং ধর্মান্তরিত না হলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ।
ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত তাকে বলেছিল, “আমি মুসলিম হলে কী হবে? ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো, আমি তোমাকে বিয়ে করব।” তিনি বাধা দিলে অভিযুক্ত তাকে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর ভুক্তভোগী তার পরিবারের সাথে থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত আব্দুল হাদী পাঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ধর্ষণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, তফসিলি জাতি/উপজাতি আইন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের অধীনে একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ বর্তমানে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।।
