এইদিন ওয়েবডেস্ক,কোপ্পাল,০৯ এপ্রিল : কর্ণাটকের কোপ্পালে নিখোঁজ নববধূর ঘটনায় বড় মোড় এসেছে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পরেই নিখোঁজ হওয়া ওই তরুণীকে এখন হুব্বাল্লিতে এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে খুঁজে পাওয়া গেছে। কোপ্পালের মহিলা থানায় পরিবারের সামনে এক বিবাহিত মহিলা তার প্রেমিকের সঙ্গে যাওয়ার জন্য জেদ করছেন, যদিও এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পরিবারের একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাই তার স্বামীর পরিবার ক্ষতিপূরণ দাবি করছে।
রায়চুর জেলার সিন্ধানুরের বাসিন্দা সঞ্জনা নামে এক তরুণী, যার বিয়ে হয়েছিল কোপ্পালের গৌরী আঙ্গালার বাসিন্দা নাগরাজের সঙ্গে । বিয়ের ২ মাসের মধ্যেই বধূ স্বামীকে ছেড়ে নিখোঁজ হয়ে যান।পুলিশ এখন হুব্বালিতে রাজভাক্ষী নামে এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে নববিবাহিতা সঞ্জনাকে খুঁজে পেয়েছে এবং উভয়কে কোপ্পালের মহিলা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাদাগ জেলার বাসিন্দা রাজভাক্ষী একজন অটোচালক এবং বিবাহিত। তবে এখন জানা গেছে যে, সে সঞ্জনাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল।
যখন দুজনকে থানায় আনা হচ্ছিল, তখন সঞ্জনার স্বামী ও আত্মীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তা সত্ত্বেও, সঞ্জনা জোর দিয়ে বলে যে সে রাজভাক্ষীকে চায়, কিন্তু তার এই সিদ্ধান্তের কারণে ইতিমধ্যেই আমাদের পরিবারের একটি জীবন চলে গেছে। তাই, নাগরাজের পরিবার ক্ষতিপূরণের দাবিতে অটল।
জানা গেছে,উভয় পরিবারের পারস্পরিক সম্মতিতে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি কোপ্পালের পার্থ কল্যাণ মণ্ডপে নাগরাজ ও সঞ্জনার বিয়ে হয়। এরপর থেকে এই দম্পতি নাগরাজের বাড়ির সবচেয়ে উপরের তলায় থাকতেন। এদিকে, ২১শে মার্চ রাতে, প্রায় সাড়ে আটটার দিকে, সঞ্জনা শরীর খারাপের কথা বলে তার স্বামী নাগরাজকে ওষুধ আনতে বলেছিলেন। তার স্বামী ওষুধ আনতে গেলে সঞ্জনা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান ।আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ করেও তার কোনো খবর না পেয়ে তার স্বামী নাগরাজ পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিলেন। পরে, পুত্রবধূ নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পেরে নাগরাজের বাবা খান্ডেপ্পা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।।
