এইদিন ওয়েবডেস্ক,নয়াদিল্লি,১৯ মার্চ : এক হিন্দু শিশুকন্যাকে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছস জাতীয় রাজধানী দিল্লি । দিল্লির দ্বারকার গোয়ালা ডেইরির কাছে নিজের দোকানের ভেতরে ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৬-৯ বছর বয়সী এক হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে । যাকে মেয়েটি ‘আঙ্কেল’ বলে ডাকত, মেয়েটিকে তার হালাল মাংসের দোকানে প্রলুব্ধ করে নিয়ে গিয়ে এই জঘন্য অপরাধটি করে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তদন্ত চলছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, মেয়েটি তার ছোট বোনের সাথে স্কুলের কাছে খেলছিল, এমন সময় অভিযুক্ত জিহাদি সেখানে আসে। জিহাদিটি কাছেই একটি হালাল মাংসের দোকান চালায়। সে মেয়েটিকে কিছু দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার দোকানের ভেতরে নিয়ে যায়।
সেখানে সে দোকানের শাটার নামিয়ে, আলো নিভিয়ে নিরীহ মেয়েটিকে নির্মমভাবে মারধর করে। মেয়েটির মা দোকানটির কাছের সেই একই স্কুলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। মেয়েটি বাড়ি ফিরে তার মাকে যখন তার উপর ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানায়, তখন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। নিষ্পাপ মেয়েটি জানায় যে, এটা প্রথমবার নয়, বরং অভিযুক্ত ব্যক্তি এর আগেও তিন-চারবার তার সাথে এমন অপকর্ম করেছে।
সে মেয়েটি ও তার মাকে মেরে ফেলার হুমকি দিত, যে কারণে ভীত মেয়েটি এতদিন চুপ ছিল। সোমবার (১৬ মার্চ) ঘটনার পর, মেয়েটির মা ও এক আত্মীয় অভিযুক্তকে ধরে ফেললে সেখানে ব্যাপক হট্টগোল ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ উঠছে যে, ছাওলা থানা প্রথমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। একটি ভাইরাল ভিডিওর বরাত দিয়ে দাবি করা হচ্ছে যে, পরিবারটি অভিযুক্তকে আটক করলে ছাওলা পুলিশ পুলিশ ভিডিও রেকর্ড করা যুবকটির ওপর কঠোর ব্যবস্থা নেয়। বিষয়টি গুরুতর আকার ধারণ করলে এবং ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হলে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে,দ্বারকার একটি স্কুলের কাছে নিজের দোকানে পরিচিত এক চাচার দ্বারা ৬ বছর বয়সী এক নাবালিকা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ; অভিযুক্তকে বিএনএস ও পকসো আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ।।
