এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১৮ জুন : বিজেপি নেতা ও কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর সজল ঘোষ আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটা পোস্ট করেছেন । সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন,’রবিবার সন্ধ্যেবেলা দুর্গাপুজোর থিম ঘোষণার সাথে সাথে মঙ্গলবার সন্ধ্যেবেলায় প্রেমপত্র চলে এলো কলকাতা পুলিশের মুচিপাড়া থানা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে । আমি জানতে চাই আর কটা পুজো কমিটিকে সারা পশ্চিমবঙ্গে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে ? নিশ্চিত, কাউকে নয় l আমার প্রশ্ন তাহলে তারা কি সবাই আইনের উর্ধ্বে ? নাকি আমাদের জন্য আলাদা আইন? বোঝাই যাচ্ছে, ডাক্তারদের দেওয়া শিরদাঁড়াটা খুব একটা ভালো কোয়ালিটির ছিল না। এই সব অন্যায়ের বিচার খুব শীঘ্রই হবে।’
তিনি মুচিপাড়া থানার ওসির পাঠানো ওই “প্রেমপত্র” টিও শেয়ার করেছেন । সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সম্পাদকের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠির বিষয়বস্তু হল : “সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব ২০২৫-এর জন্য সম্মতি এবং প্রশমনের ব্যবস্থা।”
চিঠিতে লেখা হয়েছে,’সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার দুর্গাপূজা কলকাতা পুলিশের আওতাধীন অন্যতম প্রধান উৎসব। গত বছরের উদযাপনের সময়, দুর্গোৎসব দেখার জন্য প্রচুর ভক্তের সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। দুর্ভাগ্যবশত, আপনাকে জারি করা নির্দেশিকাগুলি না মানার কারণে, জননিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল। এক পর্যায়ে, প্রায় বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, যা জীবনকে বিপন্ন করেছিল। ফলস্বরূপ, মুচিপাড়া থানায় মামলা নম্বর ১৪২ এর অধীনে ১৫.১০.২০২৪ তারিখে, বিএনএস-এর ২২১/২২৩/৩২৪(৬)/৬১(২) ধারার অধীনে একটি নির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছিল ।
আসন্ন সন্তোষ মিত্র স্কয়ার সার্বজনীন দুর্গোৎসব ২০২৫-এর জননিরাপত্তা, নিরাপত্তা এবং দক্ষ ভিড় ব্যবস্থাপনার স্বার্থে, নিম্নলিখিত নির্দেশাবলী কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এই বিষয়ে ১৪.০৫.২০২৫ তারিখে আপনাকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে আমরা এখনও এর কোনও উত্তর পাইনি।
চিঠিতে পূজো পরিচালনার জন্য আলোকসজ্জা, শব্দ প্রদর্শনী, হকার/স্টল স্থাপনসহ বেশ কিছু নির্দেশিকা পালনের কথা বলা হয়েছে ।
সব শেষে চিঠিতে লেখা হয়েছে,আপনাকে এতদ্বারা উপরোক্ত সমস্ত বিষয় সম্বলিত একটি বিস্তারিত প্রশমন পরিকল্পনা(mitigation plan) জমা দেওয়ার এবং ২৫.০৬.২০২৫ সালের মধ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষের সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।।

