এইদিন ওয়েবডেস্ক,আউশগ্রাম(পূর্ব বর্ধমান),১১ আগস্ট : বিয়ের আড়াই মাসের মধ্যেই শ্বশুরবাড়িতে নাবালিকা বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম । অভিযোগ যে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দেহ দাহের চেষ্টা করা হচ্ছিল । অভিযোগ পেয়ে আউশগ্রাম থানার পুলিশ শ্মশান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। মৃতার নাম শ্রাবন্তী মেটে (১৫)।
জানা গেছে,আউশগ্রাম থানার শীতলগ্রামের বাসিন্দা সোমনাথ মেটে ও বন্দনা মেটের মেয়ে শ্রাবন্তী । শ্রাবন্তী নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল । প্রায় আড়াই মাস আগে খটনগরের বাসিন্দা আকাশ মাজির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। শ্বশুরবাড়ির দাবি, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা পালিয়ে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু উভয় পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয় ।
জানা গেছে,সোমবার বিকেলে জায়ের সঙ্গে বাজারে গিয়েছিল শ্রাবন্তী। বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পর তাঁর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয় বলে শ্বশুরবাড়ির দাবি। অভিযোগ,মৃতার বাবা-মাকে খবর দিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দেহ দাহের প্রস্তুতি শুরু হয়। খবর পেয়ে মৃতার জ্যাঠা কার্তিক মেটে ও জেঠিমা পূর্ণিমাদেবী খটনগর শ্মশানে পৌঁছে দাহে বাধা দেন। খবর পেয়ে সোমবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ শ্মশান থেকে দেহ উদ্ধার করে আউশগ্রাম থানার পুলিশ । আজ মঙ্গলবার দেহটি বর্ধমানে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।।
