এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,০৩ জুন : ২৬ শের বিধানসভার ভোটে শোচনীয় পরাজয়ের পর ঘরে বাইরে প্রবল চাপে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি । বিশেষ করে তৃণমূলের সাংসদ ও বিধায়কদের মতিগতি বিশেষ সুবিধার ঠেকছে না । ইতিমধ্যেই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো । কিন্তু তারপর কোন্দল চরম আকার ধারন করেছে । এই পরিস্থিতিতে ক্রমবর্ধমান কোন্দল এবং বিদ্রোহী বিধায়কদের উপর লাগাম টানতে রাজ্যের সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একথা জানানো হয়েছে। তাতে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে ।
অর্থাৎ, এই ঘোষণার পর তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস, তৃণমূল যুব কংগ্রেস, ট্রেড ইউনিয়ন, সংখ্যালঘু সেল-সহ সমস্ত কমিটি বিলুপ্ত হয়ে গেল ।তবে তৃণমূল কংগ্রেসের ওই পোস্টে এটাও বলা হয়েছে যে খুব শীঘ্রই প্রতিটি স্তরে দলের কাজের গভীর পর্যালোচনা, আত্মবিশ্লেষণ এবং সাংগঠনিক মূল্যায়ন করা হবে। এই প্রক্রিয়ার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই মূল দল এবং সমস্ত শাখা সংগঠনকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হবে এবং পরবর্তীতে নতুন সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করা হবে।
এদিকে আজই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বোসের কাছে জমা পড়েছে তৃণমূলের ৫৮ বিদ্রোহী বিধায়কের সই করা চিঠি। এই ‘আসল তৃণমূলে’র বিধায়করা দলনেতা হিসেবে চাইছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উপ দলনেতা সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান ও শিউলি সাহা। মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান। সূত্রের খবর, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনার পরই তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। এরপরই দলের সব কমিটি ও সংগঠন ভেঙে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।বিধানসভার অন্দরে যখন ভাঙনের জল্পনা তীব্র, তখন সংগঠনের সমস্ত কাঠামো ভেঙে দিয়ে দল কার্যত বিদ্রোহীদের পিছু হটতে বাধ্য করতে চাইছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।।
