এইদিন ওয়েবডেস্ক,পটুয়াখালী,১৭ মে : উগ্রপন্থী ইসলামি গোষ্ঠীগুলির লক্ষ্য বাংলাদেশকে ১০০% ইসলামি রাষ্ট্র করা । কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬-৭% হিন্দু সম্প্রদায় । তাই হিন্দুদের ধর্মান্তরিত বা দেশ ছাড়া করতে উগ্র ইসলামি গোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন ছল,বল ও কৌশল অবলম্বন করছে । তারই পরম্পরায় বর্বরোচিত ও পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে হল বাংলাদেশের পটুয়াখালীর এক হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে । পটুয়াখালীর কলাপাড়ার শনিবার (১৫ মে) রাত দেড়টা নাগাদ মাটি খুঁড়ে ঘরে ঢুকে ওই ছাত্রীকে গনধর্ষণ করল দুই নরপশু ।
নির্যাতিতা ছাত্রী জানান, শুক্রবার রাতে ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে চিংড়ি রেনু সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন মা। টিন শেডের ঘরে একা ঘুমিয়ে ছিলাম আমি। রাত দেড়টার দিকে মুখোশধারী দুজন ঘরে ঢুকে আমার ওপর নির্যাতন শুরু করে। তিনি আরও বলেন, আমি ধস্তাধস্তি শুরু করলে অভিযুক্তরা গলায় ধারালো বঁটি ধরে হত্যার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে নির্যাতন সইতে না পেরে একজনকে কোনো রকমে ঠেলে সরিয়ে নিজেকে মুক্ত করে জানালা খুলে সাহায্যের জন্য চিৎকার করি। পরে আমার কাকা-কাকিমা চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে মুখোশধারীরা দরজা খুলে পালিয়ে যায়।
নির্যাতিতার কাকিমা বলেন,চিৎকার শুনে আমার স্বামীকে নিয়ে তাদের ঘরে যাই। গিয়ে আমরা বুঝতে পারি কিছু একটা হয়েছে। পরে আলো জ্বালিয়ে বাড়ির আশপাশে খুঁজতে থাকি। পরে দেখি ঘরে বেড়ার নিচে মাটি খোঁড়া। সে আমাদের জানিয়েছে, মুখোশধারীরা তাকে গনধর্ষণ করেছে।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্যাতিতার মা অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়া ওই তরুণীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান। তিনি আরও বলেন, পুলিশ সুপার বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন ।।
