বিশ্বব্যাংকে সর্বাধিক ঋণ নেওয়া দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড অফ স্টাটিস্টিক্স । তালিকার শীর্ষে রয়েছে আর্জেন্টিনার নাম । আর্জেন্টিনার ঋণের পরিমান ৪১.৭৮ বিলিয়ন ডলার । যেখানে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ রয়েছে যথাক্রমে তৃতীয় ও অষ্টম স্থানে। পাকিস্তানের ঋণের পরিমান ৭.৪১ বিলিয়ন ডলার । যেখানে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে ২.৮৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছে । ১০.২ বিলিয়ন ঋণ নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে ইউক্রেন । তবে এই তালিকায় ভারতের নাম নেই ।
ওয়ার্ল্ড অফ স্টাটিস্টিক্স প্রকাশিত ওই তালিকায় অনান্য দেশগুলি হল চতুর্থ স্থানে থাকা ইকুয়েডর(৭.২ বিলিয়ন ডলার),পঞ্চম স্থানে থাকা মিশর(৬.২ বিলিয়ন ডলার), ষষ্ঠ স্থানে থাকা আইভরি কোস্ট (৩.৬২ বিলিয়ন ডলার),সপ্তম স্থানে কেনিয়া(২.৯৪ বিলিয়ন), নবম স্থানে ঘানা(২.৮৫ বিলিয়ন),দশম স্থানে অ্যাঙ্গোলা (২.৫২ বিলিয়ন), একাদশ স্থানে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র(২.২২ বিলিয়ন),দ্বাদশ স্থানে কোস্টারিকা (১.৭৯ বিলিয়ন),১৩ তম স্থানে শ্রীলঙ্কা(১.৭৭ বিলিয়ন ডলার), ১৪ তম স্থানে জর্ডান(১.৬৬ বিলিয়ন ডলার) এবং ১৫তম স্থানে ইথিওপিয়া(১.৫৭ বিলিয়ন ডলার)।
পাশাপাশি ২০২৬ সালে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলির জিডিপি প্রবৃদ্ধির সম্ভাব্য হারের পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ৷ গত বছরের অক্টোবরে আইএমএফের বিশ্ব অর্থনৈতিক আউটলুকে প্রকাশিত ১০ দেশের তালিকায় শীর্ষে ভারতকে স্থান দেওয়া হয়েছে ৷ ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার অনুমান করা হয়েছে ৬.২০% । দ্বিতীয় স্থানে রাখা হয়েছে চীনকে । চীনের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির হার ৪.২ % । অনান্য দেশগুলি হল : সৌদি আরব — ৪.০০%,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — ২.১০%,স্পেন — ২.০০%,ব্রাজিল — ১.৯০%, মেক্সিকো — ১.৫০%,কানাডা — ১.৫০%,যুক্তরাজ্য — ১.৩০% এবং দক্ষিণ আফ্রিকা — ১.২০% ।।

