এইদিন ওয়েবডেস্ক,বাংলাদেশ,২৯ আগস্ট : ফের বাংলাদেশে এক অমুসলিম বধূকে গনধর্ষণের পর খুনের ঘটনা ঘটেছে । এবারে ঘটনাস্থল খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার মাইসছড়ি নরেন্দ্র কারবারি পাড়া এলাকা । নিহত বধূর নাম নিকা ত্রিপুরা (৩০)। আজ শনিবার ভোররাত প্রায় ৩ টে নাগাদ নিজ বাড়ির মধ্যে বধূর উপর নারকীয় অত্যাচার চালিয়ে খুন করা হয় ।ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। পাশাপাশি ওই নরপশুর দল মহিলার দামি দামি সর্বস্ব নিয়ে চম্পট দিয়েছে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিকা ত্রিপুরা যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, সেই সময় রাতের অন্ধকারের সুযোগে সিঁদ কেটে টিনের ঘরে ঢুকে পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী দল । ওই পশুর দলটি প্রথমে মহিলার উপর উপর্যুপরি নির্যাতন চালায় । তারপর তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে৷ সবশেষে ঘর থেকে টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে পালিয়ে যায় ।
জানা গেছে, নিহতের স্বামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে সাধারণ আনসার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। আজ সকালে প্রতিবেশীরা মহিলাকে ঘরের মধ্যে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় থানায় খবর দেয় । এরপর পুলিশ এসে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় ।
এর আগে রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত হিন্দু শিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে এবং ১৩ বছরের ছেলে নিজের বাড়িতেই জবাই করে খুন করা হয় । হত্যার আগে শিক্ষকের স্ত্রী ও মেয়েকে গনধর্ষণও করা হয় । কেমিক্যাল দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় ৪ জনের মুখ । নিহত শিক্ষকের মেয়ের গোপনাঙ্গ সহ শরীরের একাধিক জায়গায় পোড়া ও আঘাতের চিহ্ন দেখে অনুমান করা হচ্ছে যে হত্যার আগে তাঁর উপর নির্মমভাবে অত্যাচার করা হয়েছিল । এই ঘটনায় দুই নিরপরাধ হিন্দু তরুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । যদিও অভিযোগ উঠেছে যে, শিক্ষকের পরিবারের গনহত্যার ঘটনাটি ঘটিয়েছে কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জামাত -ই- ইসলামি । সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই খাগড়াছড়িতে এক অমুসলিম বধূকে গনধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে ।।
