এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,২০ অক্টোবর : দুর্গাপূজায় সিপিএমের বুকস্টল রাজ্য রাজনীতির বহুল চর্চিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাদবপুরে অনুমোদন বিহীন বুকস্টল ভাঙতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায় । যদিও সিপিএমের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে আদালত । এমতবস্থায় ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল ও দক্ষিণপন্থী লেখক তথাগত রায় মনে করছেন যে, রাজ্য জুড়ে সিপিএমের বুকস্টল ভাঙার যে প্রবনতা চলছে সেটি সঠিক ।
এই বিষয়ে আজ তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘আমি তো বিজেপির সমর্থক মাত্র, পদাধিকারী নই; তাই আমার সঙ্গে বিজেপির মত সব বিষয়ে না-ও মিলতে পারে। তাই বলি, আমার মতে সিপিএম-এর বুকস্টল ছারখার করে দেওয়া ঠিকই হয়েছে।’ তিনি আরও লিখেছেন,’নিজেদের বই বা মতামতের জন্য সরকারে আসীন দলের কাছে মর্যাদা চাইলে বামপন্থী বা ইসলামপন্থীদেরও কর্তব্য, যেখানে তারা ক্ষমতায় আছে সেখানে বহুদলীয় গণতন্ত্র বা হিন্দুধর্মের বইকে বা মতামতকে মর্যাদা দেওয়া। সেটা চীনে বা বাংলাদেশে হয় না। তাই তাদেরও অধিকার নেই ভারতে মর্যাদা দাবী করার।’
এদিকে যাদবপুরে সিপিএমের বুকস্টল ভাঙার চেষ্টা এবং পুলিশের অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ে করা সিপিএমের পিটিশন আজ মঙ্গলবার খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি পার্থপ্রতীম রায়ের বেঞ্চ। তবে কেন মামলা খারিজ করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷
উল্লেখ্য, সপ্তমীর সন্ধ্যায় যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে সিপিএমের বুকস্টল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, স্টল ভাঙতে বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে পুলিশের সঙ্গে সিপিএমের নেতা-কর্মীদের বচসা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বামেরা। এর আগে বনগাঁয় সিপিএমের বুকস্টল বসানোর অনুমতি দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। তবে সেই নির্দেশে ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেয়। কিন্তু আজ সিপিএমকে আদালতে জোর ধাক্কা খেতে হয়েছে । তবে আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ।।
