এইদিন ওয়েবডেস্ক,বাংলাদেশ,০৮ সেপ্টেম্বর : ছোট বোন ও ভাগ্নেকে সঙ্গে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল আওয়ামী লীগ নেতা ইদ্রিস আলী৷ ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া থানার জামপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলী আহম্মদের ছেলে। আশুলিয়া থানায় তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। আজ মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তথ্য যাচাই-বাছাই করার সময় তাকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহম্মদ শরীফুল ইসলাম গ্রেপ্তারির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইদ্রিস আলী তার ছোট বোন ও ভাগ্নেকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন। এ সময় ইমিগ্রেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তার কাগজপত্র ও ডাটাবেজ যাচাই করা হয়।যাচাইয়ের সময় ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে ঢাকার আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা থাকার বিষয়টিও জানতে পারে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর ইদ্রিসকে আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে তার সঙ্গে থাকা ছোট বোন ও ভাগ্নের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার তথ্য না থাকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে জিহাদি ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হামলা, অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের অভিযোগসহ বিভিন্ন ঘটনায় ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এছাড়া এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আধিপত্য বিস্তার ও দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ইদ্রিস আলী ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সকালে ইমিগ্রেশনে আসেন। এ সময় তার ডাটাবেজ যাচাই করে দেখা যায়- তার নামে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে গ্রেপ্তার করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
গ্রেপ্তার ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছে আখাউড়া থানা পুলিশ।।
