সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারনে একের পর এক সুখের সংসার কার্যত ছাড়খাড় হয়ে যাচ্ছে । আন্তঃধর্ম (Interfaith) সম্পর্ক তো আছেই, পাশাপাশি অসম বয়সের প্রেম এখন সমাজের জন্য একটা জলজ্যান্ত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে । এমনই একটি ঘটনা সামনে আসছে বিহার থেকে ।
বিহারের বাসিন্দা সুমন কুমারীর (৩৮) প্রায় ১৫ বছর আগে প্রদ্যুমনের সাথে বিয়ে হয় । তাদের ১৪, ৮ এবং ৬ বছর বয়সী তিনটি সন্তান রয়েছে। সুমন গৃহবধূ । সাংসারিক কাজকর্মের পাশাপাশি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য রিলস তৈরি করতেন। সেই সূত্রে পবন নামে ১৮ বছর বয়সী এক ছেলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।তারা চ্যাটিং শুরু করে এবং প্রেমে পড়ে। পবন হরিয়ানার সোনিপতের একটি কোম্পানিতে কাজ করত। প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে বয়সের পার্থক্য ২০ বছর।
ছেলেটির প্রেমে সুমন কুমারী এতটাই পাগল হয়ে গিয়েছিলেন যে,২০২৬ সালের জুলাই মাসে তার স্বামী বা সন্তানদের না জানিয়ে বাড়ি ছেড়ে সোজা সোনিপতে চলে যায়, যেখানে পবন চাকরি করত।
তারা দুজনে কিছুদিন একসাথে ছিল। কিন্তু কিছুদিন পর কাহিনীতে আসে ট্যুইস্ট । সুমন অন্য ছেলেদের সাথে কথা বলায় তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। পবন তাকে সেখানে ছেড়ে লখিমপুর খেরির নিমগাঁও থানা এলাকার নিজের বাড়িতে চলে যায়।
এদিকে দীর্ঘ দিন ধরে প্রেমিক না আসায় সুমন তার বাড়িতে হাজির হয় । পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পবনের পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেয়। মহিলার স্বামীকেও জানানো হয়। কিন্তু তিনটি ছোট শিশু তাদের মাকে বাড়ি ফিরে আসার জন্য অনুনয়-বিনয় করলেও সুমন একচুলও নড়েনি।এদিকে, ১৮ বছর বয়সী পবন দাবি করেছেন যে ইনস্টাগ্রামে তাদের বন্ধুত্বের সময় তাকে কখনও বলা হয়নি যে সুমন বিবাহিত এবং তার তিনটি সন্তান রয়েছে । বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারেই এখন চরম অশান্তি চলছে ৷।

