এইদিন ওয়েবডেস্ক,মুর্শিদাবাদ,০৭ আগস্ট : বিজেপি নেত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় মজে ১০ বছরের মেয়ে ও ৬ বছরের ছেলসহ স্ত্রীকে ঘর ছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের এজেন্ট উদ্দীপন দাসের বিরুদ্ধে । স্ত্রী প্রতিবাদ করায় মারধর করে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ । সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কাছে বিচারের আবেদন জানিয়েছেন উদ্দীপনের স্ত্রী পূর্ণিমা দাস ।
পূর্ণিমা দাসের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিজেপির প্রাক্তন প্রার্থী অনামিকা ঘোষের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। প্রতিবাদ করায় তাঁকে মারধর করা হয় এবং পরে দুই সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ।
তাঁর আরও অভিযোগ, পরে তাঁর স্বামী বিজেপি নেত্রী অনামিকা ঘোষকে বেআইনিভাবে বিয়ে করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা না মেলায় তিনি বাধ্য হয়েই সোশাল মিডিয়ায় বিষয়টি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতির কাছে বিচার চেয়ছেন। ভিডিওটিতে পূর্ণিমাকে বলতে শোনা যায়, ‘বিধানসভা নির্বাচনের সময় ওদের সম্পর্কের শুরু। প্রতিবাদ করলে আমার স্বামী মারধর করেন। দুই ছোট ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। সেখানেই আছি। হঠাৎ জানতে পারি ২৭ জুলাই ওরা বিয়ে করেন। সমস্ত জায়গায় বিচারের দাবিতে আবেদন করেও বিচার মেলেনি। শেষ আশা নিয়ে তাই সমাজমাধ্যমে এই ভিডিও পোস্ট ।’।
