স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান নিয়ে ছিল সুখের সংসার । কিন্তু স্ত্রী গ্রামেরই এক যুবকের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন । এই সম্পর্ক ছিন্ন করার অনেক চেষ্টা করেন স্বামী । কিন্তু তাতে হিতে বিপরীত হয় । স্ত্রী হুমকি দেয় যে, প্রেমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে তার স্বামীকে হত্যা করে দে’হ টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে ফেলে দিয়ে আসবে । তাই নিজের প্রাণ বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত প্রেমিকের হাতেই স্ত্রীকে তুলে দিলেন স্বামী । উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবির নগরের ঘটনা । হতভাগ্য স্বামীর নাম বুদ্ধিরাম । তার স্ত্রী খুশি এখন একই গ্রামের বাসিন্দা অবধেশের অর্ধাঙ্গিনী ।
বুদ্ধিরাম ২১ বছর আগে ভালোবেসে খুশিকে বিয়ে করেছিলেন। তাদের পাঁচ সন্তান, এবং তাদের বড় ছেলের বয়স ১৮। এরই মধ্যে, খুশি একই গ্রামের বাসিন্দা অবধেশের প্রেমে পড়েন । পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে অবধেশ তার বাড়িতে খুশির সাথে বেশিরভাগ সময় কাটাতে শুরু করে। যখন বুদ্ধিরাম খুশিকে অবধেশের কাছ থেকে আলাদা করার চেষ্টা করেন, তখন খুশি তাকে একটি টু*ক*রো টু*ক*রো করে ফেলার হু*ম*কি দেয়।
বুদ্ধিরাম সময়মতো তার বিচক্ষণতা ব্যবহার করে খুশিকে একটি মন্দিরে নিয়ে যান এবং তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। খুশি নতুন স্বামী পেয়ে খুশি, এবং বাচ্চারাও নতুন বাবা পেয়ে খুশি। বুদ্ধিরাম তার নিজের জীবন বাঁচাতে পেরে খুশি। অবধেশ যখন বুদ্ধিরামের হাতে সিঁদুরের কৌটো থেকে সিঁদূর খুশির সিঁথিতে লাগাচ্ছল, তখন বুদ্ধিরামের চোখে আনন্দের ছাপ স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়। কারন অল্পের জন্য টুকরো টুকরো হওয়া থেকে তিনি বেঁচে গেছেন ।।
