এইদিন ওয়েবডেস্ক,রাজস্থান,২৯ জুলাই : রাজস্থানের যোধপুরের প্রধান ধর্মীয় স্থান গীতা ভবন, সোহনলাল মণিহার স্কুল, শাহ গোবর্ধন কলেজ, বিচারকদের দুটি বাংলো, ৪টি মন্দির, ২টি ন্যায় ভবনসহ একটি বিশাল আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা উমিদ পোর্টালে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছে। ওয়াকফ গেজেটেও এর উল্লেখ আছে। বিষয়টি যোধপুর গ্রামের ৪৮২, ৪৮৫ এবং ৪৯০ নম্বর খসরা সংক্রান্ত, অথচ রাজস্ব রেকর্ডে তিনটি খসরাই কর্পোরেশনের নামে নিবন্ধিত।
ভাস্কর এক্সক্লুসিভ সংবাদপত্রের তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে পোর্টালে আপলোড করা সম্পত্তিগুলো ওয়াকফ গেজেটে নিবন্ধিত করা হয়েছিল, যদিও এই প্রক্রিয়াটি কোনো মুতাওয়াল্লি ছাড়াই সম্পন্ন করা হয়েছিল। রাজস্ব বিভাগের জামাবন্দি এবং স্বত্বলিপিকে জমির মালিকানার প্রাথমিক দলিল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এখন প্রশ্ন হলো যে, এই এন্ট্রিগুলো সংক্রান্ত তথ্য জনসমক্ষে কেন প্রকাশ করা হল না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একইভাবে, প্রায় ২৫০ বছর আগে মহারাজা অভয় সিং রাঠোরের রাজত্বকালে নির্মিত তুনওয়ারজির ঝালারাটি ১৯৬৫ সালে ‘ঝালারা ফর তাজিয়া’ নামে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছিল, যে তথ্যটি ৬১ বছর পরে প্রকাশিত হয় । সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় সতর্ক করে বলেছেন,’দল গোলাম, এটা মনে রেখো : বর্তমানে শুধু বিচারকের বাংলো, গীতা ভবন, এবং স্কুল ও কলেজগুলোই ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে। যদি ধর্মভিত্তিক নিয়মকানুন, কমিশন, মন্ত্রণালয়, বোর্ড, ট্রাইব্যুনাল, এবং স্কুল ও কলেজগুলো বিলুপ্ত না করা হয়, তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই তোমার বাড়ি, দোকান, খামার, শস্যাগার, শিল্প, এবং ব্যবসাও ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে চলে যাবে।’।
