এইদিন ওয়েবডেস্ক,নদীয়া,০৬ জুলাই : মোটা দড়ির ফাঁস লাগানো গলায় । দু’পা বাঁধা হয়েছে মোটা দড়ি দিয়ে । দুটো দড়িই একই গাছের দুটি পৃথক ডালের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয়েছে । সামনের দিকে দড়ি দিয়ে বাঁধা দু’হাতও । নদীয়ার কল্যাণী থানার সাহেব বাগান ডেঙ্গুরপাড়া এলাকায় থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে একটি আমবাগানে এই অবস্থায় উদ্ধার হল এক বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ । মৃতের নাম বিশ্বজিৎ শিকদার। তিনি এলাকায় বিজেপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন । বিজেপির অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে সুপরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে বিশ্বজিৎ শিকদারকে । একই দাবি করেছে মৃতের পরিবারও। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে । ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ।
জানা গেছে,আজ সোমবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে রেললাইনের ধারে একটি আমবাগানের একটি গাছে বিশ্বজিৎ শিকদারকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা । খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পরিবারের লোকজন ও গ্রামের বিজেপি নেতাকর্মী ৷ ছুটে আসেন কল্যাণী বিধানসভার প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক। কিছু পরে খবর পেয়ে কল্যাণী থানার পুলিশ গিয়ে যুবককে উদ্ধার করে কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায় । সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বিজেপির স্থানীয় বুথ ইনচার্জ মোহন ঢালির অভিযোগ,বিজেপি করার অপরাধে তৃণমূলের আমলে বিশ্বজিৎ শিকদারের বাড়ি ও দোকানে বারবার হামলা হয়েছে । এরপর ২০২৬-শের ভোটে শোচনীয় পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই তৃণমূল তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে । তবে যেভাবে বিশ্বজিৎ শিকদারের দেহটি গাছে দড়ি বাধা অবস্থায় ঝুলছিল তাতে স্থানীয়রা একপ্রকার নিশ্চিত যে তাকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে । ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মৃতদেহের ময়নাতদন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন কোনও হাসপাতালে করার দাবিও জানিয়েছে বিজেপি ।।
