সন্ত্রাসবাদের আঁতুরঘর পাকিস্তানকে গোটা বিশ্ব ঘৃণার চোখে দেখে । ভারতের তথাকথিত ছদ্ম ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল,ব্যক্তি বা মুসলিমরা পাকিস্তানের প্রতি সহানুভূতিশীল হলেও,সনাতনীরা পাকিস্তানকে তীব্র ঘৃণা করে । কাশ্মীরের পহেলগাঁয়ে পাকিস্তানি সন্ত্রাসীরা বেছে বেছে হিন্দু পর্যটকদের গনহত্যার পর সেই ঘৃণা আরও বেড়ে গেছে । তারই প্রতিফলন দেখা গেল ডাবলিনপ্রবাসী ভারতীয় লেখিকা নিবেদিতা শুক্লার আচরণে । জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে এক ক্ষুধার্ত পাকিস্তানি যাত্রীকে শুধু তার দেশের পরিচয়ের কারণে খাবার না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা নিজেই এক্স-এর একটি পোস্টে অকপটে স্বীকার করেছেন এই লেখিকা। ‘দ্য মোমেন্টোস অব রুনঝ’ বইয়ের লেখিকা নিবেদিতা শুক্লা জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে নিজের ১০ ঘণ্টার একটি ট্রানজিটের অভিজ্ঞতার কথা এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন । তিনি জানান, বিমানবন্দরে তিনি এমন এক ব্যক্তিকে দেখতে পান, যাকে দেখে তার আর্থিকভাবে অসচ্ছল মনে হয়েছিল। সহানুভূতিশীল হয়ে তিনি নিজের সঙ্গে থাকা খাবার নিয়ে ওই ব্যক্তির দিকে এগিয়ে যান। কথোপকথনের শুরুতে নিবেদিতা হিন্দিতে জিজ্ঞেস করেন, তিনি ডাবলিন থেকে এসেছেন কিনা। ব্যক্তিটি ইতিবাচক উত্তর দেন। এরপর যখন নিবেদিতা জানতে চান তার গন্তব্য কোথায়, তখন ব্যক্তিটি উত্তর দেন— ‘করাচি, পাকিস্তান!’
তিনি লিখেছেন,এই উত্তর শোনার পরই তিনি খাবার না দিয়েই ঘুরে দাঁড়ান এবং নিজের আসনে ফিরে আসেন । শুধু তাই নয়, নিজের এক্স পোস্টটি তিনি শেষ করেন ‘যা মর’ বাক্যাংশ দিয়ে।নিবেদিতার এই পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয় এবং প্রায় ১৮ লাখ মানুষ এটি দেখেন। এদিকে ভারতের ছদ্ম সেকুলারা তার এই পোস্টে বেজায় চটেছেন । রোহিণী সিং নামের এক পাকিস্তানপ্রেমী ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘ভারতীয়রা যদি এমন জঘন্য আচরণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃতিত্ব হিসেবে শেয়ার করে, তবে মানুষের মনে ভারতীয়দের প্রতি কেন ঘৃণা বাড়ছে তা নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।’ কিন্তু কোথায় ‘ভারতীয়দের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে’ তা তিনি জানাননি । ওই তথাকথিত সেকুলার ছাড়াও ইরেনা আকবরের মত কিছু ব্যবহারকারী লেখিকাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করেছে ।
অন্য একটি পোস্টে লেখিকা লিখেছেন,’আমার সর্বশেষ ফিল্টারিং প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানি (এবং পাকিস্তান-প্রেমী ভারতীয়) ও ভারতীয় অ্যাকাউন্ট গুলোকে আলাদা করে ফেলেছি। এখন বুঝতেই পারছেন কীভাবে ভারত-বিরোধী বয়ান বা প্রচার চালানো হয়। হর হর মহাদেব!’
