এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০৩ জুলাই : গত ২৮ ফেব্রুয়ারী তেহরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় মারা যান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ী । খামেনির মৃতদেহ সংরক্ষিত রেখে দীর্ঘ ৩ মাস পর শেষকৃত্য( ইসলামি পরিভাষায় জানাজা ও দাফন) সম্পন্ন হতে চলেছে । আগামী ৪ জুলাই শুরু হয়ে ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে এর আনুষ্ঠানিকতা । খামেনির নিজ শহর মাশহাদে কবরস্থ করে আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ হবে । অনেক দেশের প্রতিনিধিদের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে । পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারতের মুসলিম সংগঠনগুলির আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরা আগেভাগেই ইরানে উপস্থিত হলেও মধ্যপ্রাচ্যের তাবড় ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিদের কোনো প্রতিনিধিই উপস্থিত হয়নি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম হাউজ অব সৌদ৷
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,খামেনির শেষ বিদায়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের প্রতিনিধিদের পাঠিয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি দেশের প্রেসিডেন্টও অংশ নিচ্ছেন। তবে সৌদি-সহ বেশকিছু মুসলিম দেশের প্রতিনিধি। হাউজ অব সৌদ জানিয়েছে, ১৪ মাস আগে ইরানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত হওয়ার পর সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার জানাজায় অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু খামেনির মৃত্যুর পর দেশটি থেকে কেউ আসছেন না। আর তাই শুক্রবার পর্যন্ত সৌদি তাদের কোনো প্রতিনিধিকে এখনো চূড়ান্ত করেনি।এছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোও খামেনির শেষ বিদায়ে নিজেদের প্রতিনিধিদের পাঠায়নি। যার মধ্যে রয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন।
জানা গেছে,আজ (শুক্রবার) শুধু বিদেশি প্রতিনিধিদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খামেনির মৃতদেহ রাখা হয়েছে। কাল (শনিবার) থেকে সাধারণ মানুষ দেখার জন্য তার কফিন উন্মুক্ত স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।।
