এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,২০ জুন : পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত আরজি কর মেডিকেল কলেজের তরুনী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুন মামলায় একটি বড় তথ্য সামনে এসেছে। নির্যাতিতার মা, বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথ দাবি করেছেন যে, ঘটনার সময় হাসপাতালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর ভাইপো আবেশ ব্যানার্জীর মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান পাওয়া গিয়েছিল।
নির্যাতিতার বিধায়ক মা দাবি করেছেন যে, মমতা ব্যানার্জির ভাইপো আবেশ ব্যানার্জি এই ঘটনায় জড়িত । কার্তিক ব্যানার্জির ছেলে আবেশ ব্যানার্জি । তিনি বলেন,’পুলিশ গিয়েই আমার মেয়ের ডেডবডি সাজিয়েছিল । আমার মেয়ে সেমিনার হলে খুন হয়নি । খুন হয়েছে পিজিটি রুমে,যেটা ডাক্তারদের রাতে বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা । সেখানেই খুন হয়েছে আমার মেয়ে । পুলিশ সাড়ে ৭ টার সময় গিয়ে সব সাজিয়েছে । সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি বা সিএফএসএল (CFSL) রিপোর্ট বলছে যে, সেমিনার রুম ক্রাইম সিন নয় । সেমিনার রুম ক্রাইম সিন হতে পারে,তবে মেয়েকে অন্য জায়গায় খুন করে লাইব্রেরির সামনে দেহ ফেলে রাখা হয়েছিল । পুলিশ গিয়ে ক্রাইম সিন সাজিয়েছে ।’
সিবিআই যেন অবিলম্বে আবেশ ব্যানার্জীকে আটক করে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না এই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি । এদিকে, সিবিআই পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং চেয়ারম্যান সোমনাথ দে-কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে দুই সাসপেন্ডডেট পুলিশ কর্তা ইন্দ্রানী মুখার্জি ও অভিষেক গুপ্তাকে । জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে সবচেয়ে বিতর্কিত পুলিশ আধিকারিক তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকেও ।
তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছে যে, কেন নির্যাতিতার দেহ এত তড়িঘড়ি করে দাহ করা হয়েছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভয়াকে সেদিন রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে হত্যা করা হয়েছিল। নির্যাতিতার বিধায়ক মায়ের অভিযোগ, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও, তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, ঘটনার সময় যারা হাসপাতালের দায়িত্বে ছিলেন, তাদের কেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না ?
