এইদিন ওয়েবডেস্ক,পূর্ব মেদিনীপুর,০১ এপ্রিল : বিজেপি করার অপরাধে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের এক মুসলিম কর্মীকে সামাজিক বয়কট করার অভিযোগ উঠল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ৷ আজ বুধবার ওই দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়ে তার পাশে দাঁড়ান বিরোধী দলনেতা ও স্থানীয় বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী । তিনি কর্মীর বাড়ির খামারে বসে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে বলেন, ‘এই ঘটনাতেই প্রমান যে কারা সাম্প্রদায়িক।’
ভুক্তভোগী বিজেপি কর্মীকে বলতে শোনা যায়, মসজিদে মাইকে ঘোষণা করে তাকে সামাজিক বয়কটের কথা জানানো হয় । সরকারি পাম্প থেকে জল নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে । ভাই টোটো চালায় এবং গ্রামের কাউকে চড়তে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে । ঘটনার বিবরণে শুভেন্দু সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন,’তৃণমূল কংগ্রেস নন্দীগ্রামে তাদের চিরাচরিত সংকীর্ণ রাজনীতির পরিচয় দিতে শুরু করেছে। বিশ্বের বৃহত্তম দল বিজেপির মাইনরিটি মোর্চার রাকিবুল সহ রাষ্ট্রবাদী মুসলিম ভাইদের সামাজিকভাবে বয়কট, এমন কি পানীয় জল টুকু বন্ধ করার মতো অত্যাচার শুরু করেছে। যদিও এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার কাছে আমার রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিম ভাইরা নতি স্বীকার করেননি। ঘটনার খবর পেয়ে আজ ভেকুটিয়া অঞ্চলের দেওয়ানচক গ্রামে বিজেপি মাইনরিটি মোর্চার রাকিবুল ভাইসহ অন্যান্য রাষ্ট্রবাদী মুসলিম ভাইদের সঙ্গে দেখা করে সর্বতোভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিলাম ।’
তিনি আরও লিখেছেন,’বিজেপি করা তো কোনোও অপরাধ নয়। ভারতবর্ষের সংবিধান মোতাবেক দেশের সমস্ত নাগরিকদের তাদের নিজস্ব মত, বিশ্বাস ও পথ নির্বাচন করার অধিকার রয়েছে। এই বিষয়ে কারও কোনো রকম হস্তক্ষেপ ভারতের সংবিধানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার সামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস তো দেশের আইন, সংবিধান কিছুই মানে না, তাই এই ধরনের মধ্যযুগীয় বর্বরতার নজির নতুন কিছু নয়। তৃণমূল এই ধরনের কাজ যত করবে, তত মানুষের থেকে দূরে সরে যাবে। আমি শুধু তৃণমূলকে সাবধান করতে চাই—বিজেপি কার্যকর্তাদের ওপর এই ধরনের অত্যাচার বন্ধ না হলে বিজেপিও চুপ করে বসে থাকবে না। পশ্চিমবঙ্গে আজকের বিজেপি কিন্তু অন্যায়ের প্রতিরোধ করতে সক্ষম।’।
