পিপ্পলাদ কৃত শ্রী শনি স্তোত্রম্ হল ঋষি পিপ্পলাদ রচিত একটি শক্তিশালী স্তোত্র, যা শনিদেবকে শান্ত করতে এবং অশুভ প্রভাব দূর করতে প্রতিদিন পাঠ করা হয়। এটি মূলত শনিদেবের স্তুতি এবং তাঁর কৃপা পাওয়ার একটি প্রার্থনা। এই স্তোত্রটি পাঠ করলে জীবনের বাধা ও কষ্ট দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
নমোঽস্তু কোণসংস্থায় পিঙ্গলায় নমোঽস্তু তে ।
নমস্তে বভ্রুরূপায় কৃষ্ণায় চ নমোঽস্তু তে ॥১।।
অর্থ : হে কোণস্থ, পিঙ্গলবর্ণ, বভ্রুরূপী এবং কৃষ্ণবর্ণ শনিদেব, আপনাকে প্রনাম ৷
নমস্তে রৌদ্রদেহায় নমস্তে চান্তকায় চ ।
নমস্তে যমসংজ্ঞায় নমস্তে সৌরয়ে বিভো ॥২॥
অর্থ : হে রৌদ্রদেহী, অন্তক (মৃত্যুদাতা), যমসংজ্ঞক এবং সূর্যপুত্র শনিদেব, আপনাকে প্রনাম ।
নমস্তে মন্দসংজ্ঞায় শনৈশ্চর নমোঽস্তু তে ।
প্রসাদং কুরু দেবেশ দীনস্য প্রণতস্য চ ॥৩॥
অর্থ : হে মন্দসংজ্ঞক (ধীরগতি) শনৈশ্চর, আপনাকে প্রনাম । হে দেবেশ, আমার ওপর প্রসন্ন হোন, আমি আপনার শরণাপন্ন৷
।। ইতি পিপ্পলাদ কৃত শ্রী শনি স্তোত্রম্ ।।
পাঠের উপকারিতা:
শনি সাড়ে সাতি ও ধাইয়া: শনির অশুভ প্রভাব বা সাড়ে সাতি ও ধাইয়ার সময় এই স্তোত্র পাঠ অত্যন্ত ফলদায়ী।
দুঃখ ও কষ্ট মুক্তি: এটি জীবনের বাধা, দুঃখ এবং কষ্ট দূর করতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি: শনিদেবের আশীর্বাদে স্বাস্থ্য এবং সুখ বৃদ্ধি পায়।
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, ঋষি পিপ্পলাদ অশ্বত্থ গাছের নিচে শনিদেবকে বন্দি করেছিলেন, তাই শনিবারে পিপ্পল বা অশ্বত্থ গাছে জল অর্পণ করা শনি দেবকে তুষ্ট করার একটি বিশেষ মাহাত্ম্য আছে ।
