এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,০৫ মার্চ : তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভায় প্রার্থী করেছে মেনকা গুরুস্বামী, রাজীব কুমার,কোয়েল মল্লিক ও বাবুল সুপ্রিয়কে । তাদের কারোরই তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ ছিল না । অথচ তৃণমূলের অন্যতম সহ প্রতিষ্ঠাতা দলের বর্ষীয়ান নেতা সুব্রত বক্সীকে এবার প্রার্থী করেনননি মমতা ব্যানার্জি । যা নিয়ে নিন্দায় সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী । তিনি মমতা ব্যানার্জির সম্পর্কে বলেন, ‘সব রাজনৈতিক লোককে তিনি বাণপ্রস্থে পাঠিয়ে দিয়ে ৷ সুব্রত বক্সীর মতো, ওনার যুব কংগ্রেসের সময় থেকে রয়েছেন। উনি হাঁটতে পারেন, চলতে পারেন, এখনও পর্যন্ত জেলার সংগঠন দেখেন ।’ তিনি বলেন, ‘এখন জিজ্ঞাসা করতে গেলে হতত বক্সী দা বলবেন যে তিনি নিজে থেকে না বলেছেন।’
শুভেন্দু বলেন, ‘আমাদের কষ্ট হচ্ছে,যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসটা তৈরি করেছিল, সেই নেতাকে আজকে অবসরে পাঠানো হচ্ছে বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক, মেনকা গুরুস্বামী, আর রাজীব কুমারের মতো কুখ্যাত একজন আইপিএস-কে জায়গা করে দেওয়ার জন্য । মেনকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ প্রার্থী করেছেন মমতা ব্যানার্জি । সারদার ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস নষ্ট করার জন্য রাজীব কুমারকে পুরস্কার দিয়েছেন, আর বিনীত গোয়েলকে আরজি কর কেসে বাঁচিয়ে দেওয়ার জন্য মেনকা গুরুস্বামীকে গিফট দিয়েছেন । আর সুব্রত বক্সীকে আজকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে ।’ এই গোটা বিষয়টি বাংলার রাজনীতিতে অত্যন্ত পীড়াদায়ক বলেও উল্লেখ করেন শুভেন্দু।
আজ বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মনোনয়ন জমা দেন রাজ্য বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা রাহুল সিনহাও । শুভেন্দু অধিকারী তাকে উত্তরীয় পরিয়ে,ফুল দিয়ে ও কপালে তিলক কেটে দিয়ে শুভকামনা জানান৷ এরপর সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি । সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ।।

