প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়,বর্ধমান,০৪ মার্চ : বরযাত্রী যাওয়া আর হল না। পথেই হঠাৎ আগুন ধরে গিয়ে পুড়ে খাক হয়ে গেল বরযাত্রী বোঝাই গোটা বাসে। আজ বুধবার দুপুরে ভয়ংকর এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ের জ্যোৎরাম এলাকায়। বাস চালক দ্রুত বাস থামিয়ে দিয়ে বর যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ায় তারা বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যান। এই খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়।খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগে ।দমকলের একটা ইঞ্জিন দুর্ঘটনাস্থলে পৌছে বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে । বাসে আগুন লাগার কারণ কি,তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনার জেরে এদিন কিছু সময়ের জন্য জাতীয় সড়কের কলকাতামুখী লেনে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,বরযাত্রী বোঝাই বাসটি বর্ধমানের বীরপুর থেকে জয়নগর যাচ্ছিল। পথে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের শক্তিগড়ের জোৎরাম এলাকায় আচমকাই বাসের পিছনের চাকায় আগুন লাগে।এক বাইক আরোহী বাসের চাকায় আগুন লাগার বিষয়টি বাস চালককে জানান । তৎক্ষণাৎ বাস চালক বাস থামিয়ে দেন। তিনি বাসে আগুন লাগার বিষয়টি বুঝতে পেরে বর যাত্রীদের দ্রুত নামিয়ে নেন।তার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা।
বরযাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শক্তিগড় থানার পুলিশ। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। জনৈক বরযাত্রী প্রদীপ ঘোষ জানান,বীরপুর গ্রাম থেকে ৪৫ জন বরযাত্রী যাচ্ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগণার জয়নগরে । পথে একজন বাইক চালক চিৎকার করে জানান বাসের পিছনের বাঁদিকের চাকায় আগুন লেগেছে । তা শুনে বাস চালক দ্রুত থামিয়ে দিয়ে আমাদের বাস থেকে নামিয়ে দেন।আমরা সবাই বাস থেকে নেমে পড়তেই দাউ দাউ করে বাসে আগুন জ্বলে যায়। পুড়ে খাক হয় যায় গোটা বাসটি ।
বাস চালক অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন,’বাসটিকে জাতীয় সড়কের ধারে থামিয়ে যাত্রীদের সবাইকে বাস থেকে নামিয়ে নি। কি কারণে বাস এমন বিভৎস আগুন লেগে গেল সেটা বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে যান্ত্রিক কোনও গোলযোগ থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।’।

