এইদিন ওয়েবডেস্ক,উত্তর দিনাজপুর,২১ অক্টোবর : দুই হিন্দু কিশোরীকে ঠাকুর দেখাতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে গনধর্ষণের অভিযোগ উঠল উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরে । এনিয়ে আজ বুধবার গোয়ালপোখর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন এক নির্যাতিতার বাবা৷ ধৃত দুই অভিযুক্ত ও অভিযোগ পত্রের কপিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন শিলিগুড়ির বাসিন্দা অ্যাডভোকেট রিঙ্কি বিনয় সিং চ্যাটার্জি৷ তিনি লিখেছেন,’গতকাল রাতে দুটি নাবালিকা হিন্দু মেয়ে (16 বছরের ) ২২ বছর বয়সী দুটি মুসলিম ছেলের সাথে পুজো ঘুরতে বেরোয় গোয়ালপোখর প্যানেল এলাকায় । শেষে ভোর রাতে চারজন মুসলিম ছেলে মেয়ে দুটিকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায় সুনসান এলাকায় খেতের মধ্যে । মেয়ে দুটিকে উদ্ধার করে গোয়ালপোখর থানার আইসি হাসপাতালে পাঠায় । আর এখন অবধি দুজন জেহাদী এরেস্ট হয়েছে নাম আরবাজ আর ইমরান বাকি দের তল্লাশি চলছে ।’ তিনি লিখেছেন,’এবার বলুন আব্দুলদের সাথে বন্ধুত্ব করবেন ? আমি গোয়াল পোখর থানার আইসি পিনাকী সরকার বাবুর থেকে জানলাম যোগী জির স্টাইলে ওদের ট্রিট করা হচ্ছে ।’ তিনি স্টপ লাভ জিহাদ হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করেছে।
আইনজীবীর শেয়ার করা অভিযোগপত্রে অভিযোগকারী গোয়ালপোখর থানার পুলিশকে জানিয়েছেন,দুই অভিযুক্ত হল গোয়ালপোখর থানার দেবিগঞ্জের বাসিন্দা জামসেদের ছেলে আরবাজ (Arbaz) এবং সরফরাজ(Sarfaraz) সহ আরও ২-৩ জন । ইংরাজির ২০-১০-২০২৬ তারিখে সময় আনুমানিক সন্ধা বেলা ৭ টা ৩০ মিনিট নাগাদ ওই দুই অভিযুক্ত তার এবং একই গ্রামের বাসিন্দা আরও এক ব্যক্তির ১৫ বছরের নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে পূজায় ঘুরানোর নাম করে ইসলামপুর নিয়ে । সেখানে তাদেরকে ঘুড়িয়ে ফিড়িয়ে কোন এক ফাকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে জাপটে ধরে শ্লীলতাহনি করে শরিরের ভিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে শ্লীলতাহানি করাকালীন জোরপূর্বক ধর্ষন করে ৷ জোরপূর্বক ধর্ষন করার ফলে তার মেয়ের প্রচন্ড রক্তপাত হয়। এবং বিবাদীগন তাদের মোবাইল ফোনে ধর্ষন করার সময় নগ্ন ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছে। তারপর রাত আনুমানিক ৩ টা নাগাদ বিবাদীরা আমার মেয়ে ও আমার গ্রামের অন্য ব্যক্তির মেয়েকে দেবিগঞ্জ বাজারে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর সকাল বেলা ফোন মারফৎ জানতে পাড়ি যে আমাদের দুই মেয়ে দেবিগঞ্জ বাজারে রয়েছে। উপরোক্ত ঘটনা দুই মেয়ের কাছে জানতে পাড়ি। নিরুপাই হইয়া আপনার নিকট দারাস্থ হইলাম ।তিনি অভিযোগটি এফ আই আর করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন ।
জানা গেছে,এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই পুলিশ মূল অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।নির্যাতিতা দুই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য এবং তাদের শারীরিক পরীক্ষার (Medical Examination) জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ পুরো ঘটনার পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত প্রক্রিয়া জারি রেখেছে।।

