এইদিন ওয়েবডেস্ক,নয়াদিল্লি,২০ ফেব্রুয়ারী : দিল্লির ভারত মণ্ডপে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট ২০২৬ শীর্ষ সম্মেলনে যুব কংগ্রেস কর্মীরা তাদের জামা খুলে বিক্ষোভ প্রদর্শনের নামে উৎপাত শুরু করে । এই ঘটনায় জনরোষের সৃষ্টি হয় । শেষ পর্যন্ত ক্ষিপ্ত জনতা যুব কংগ্রেস কর্মীদের কিল,চড় মেরে লাথি মারতে মারতে বাইরে বের করে দেয়৷
বিজেপির সর্বভারতীয় আইটি ইনচার্জ অমিত মালব্য জানিয়েছেন যে এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড হল রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ যুবনেতা নরসিমহা যাদব। তিনি রাহুলের সঙ্গে তার একটা ছবি এক্স-এ পোস্ট করে লিখেছেন,’আজকের এআই শীর্ষ সম্মেলনে নগ্ন প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান আয়োজক নরসিমহা যাদবের রাহুল গান্ধীর সাথে ছবি রয়েছে।এতে কোনও সন্দেহ নেই যে এই বিঘ্নটি আকস্মিক ছিল না, এটি ছিল পরিকল্পিত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই ধরনের নাটকীয়তা কেবল ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এবং দেশের প্রযুক্তিগত নেতৃত্বকে তুলে ধরার জন্য তৈরি প্ল্যাটফর্মটিকেই ক্ষুণ্ন করে। রাজনৈতিক মতবিরোধ গণতন্ত্রের অংশ। বিশ্বের সামনে ভারতকে বিব্রত করা নয়।’
দিল্লির ভারত মণ্ডপে ১৯ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারী এআই ইমপ্যাক্ট ২০২৬ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে । বহু দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলনে উপস্থিত আছেন৷ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনও সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন । কিন্তু এই সম্মেলনে প্রায় ১০ জন যুব কংগ্রেস কর্মী ঢুকে পড়ে এবং তাদের জামা খুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় । বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন যে ভারত-মার্কিন চুক্তির মাধ্যমে সরকার জাতীয় স্বার্থের সাথে আপস করছে।
এদিকে শীর্ষ সম্মেলনে আসা জনসাধারণ এই ঘটনায় হতবাক হয়ে যান এবং বিক্ষোভকারী যুব কংগ্রেস কর্মীদের ভারত মণ্ডপ প্রাঙ্গণ থেকে লাথি মেরে বের করে দেন। এই বিষয়টি এআই সামিটের নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে । জানা গেছে যে বিক্ষোভকারীরা QR-কোডেড পাস ব্যবহার করে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেছিল। এই কারনেই দিল্লি পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে । দিল্লি পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে তিলক মার্গ থানায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।।
