এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,২৫ জানুয়ারী : কলকাতার বেহালায় বিজেপির সভামঞ্চে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে । আজ রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে বেহালার সখেরবাজার এলাকায় । বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ দাউদাউ করে জ্বলা মঞ্চের ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন,’দক্ষিণ কলকাতার বেহালা সখের বাজারে বিজেপির জনসভা স্থলের মঞ্চ তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিল। কারণ একটাই গণতন্ত্র কে ভয় পায় তৃণমূল, সত্যের মঞ্চে দাঁড়ানোর সাহস নেই।এই সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গের সহ-ইনচার্জ, প্রাক্তন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিপ্লব কুমার দেব মহাশয় এবং বিরোধী দলনেতা শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়ের। নেতৃত্বকে রুখতে না পেরে মঞ্চে আগুন – এটাই তৃণমূলের রাজনীতি।’
তিনি লিখেছেন,’পুলিশ নীরব, প্রশাসন বিক্রি হয়ে গেছে, আর মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত মিথ্যা নাটকে। রাজ্যে এখন আইন নেই, শাসন নেই চলছে গুন্ডারাজ !! এই সন্ত্রাসী সরকারের তীব্র ধিক্কার জানাই। পশ্চিমবঙ্গের কলঙ্ক তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গের কলঙ্ক মমতা। মঞ্চ পোড়াতে পারে, আন্দোলন নয়। সন্ত্রাসে থামবে না বিজেপি।২০২৬ – পরিবর্তন অনিবার্য।’
জানা গেছে,আজ সন্ধ্যায় বেহালার সখেরবাজারে বিপ্লব দেবের সভা ছিল । সভার প্রস্তুতি হিসেবে পতাকা লাগানোর সময় বিজেপি কর্মীদের তৃণমূলের লোকজন বাধা দিলে অশান্তির সূত্রপাত । দু’পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি হয় । সংঘর্ষের জেরে ডায়মন্ড হারবার রোডে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লের অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে ।
অন্যদিকে বিজেপির দাবি,ওই ঘটনার পর বিপ্লব দেবের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর তৃণমূল কর্মীরা সভামঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই সময় পুলিশ বাহিনী থাকলেও কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ । বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন,’আজ দক্ষিণ কলকাতার বেহালা শখের বাজারে বিজেপির পরিবর্তন সভা শেষ হতেই যে দৃশ্য দেখা গেল, তা গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় Biplab Kumar Deb মহাশয়ের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ সভার পর শাসকদলের আশ্রয়প্রাপ্ত কিছু দুষ্কৃতী পরিকল্পিতভাবে ভাঙচুর চালায় এবং মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয়।ভিন্নমতকে দমন করতে হিংসা আর সন্ত্রাস এটাই কি আজকের শাসনের ভাষা? এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং স্পষ্ট করে বলিভয় দেখিয়ে পরিবর্তনের আওয়াজ থামানো যাবে না।’।
