এইদিন ওয়েবডেস্ক,বিহার,২৯ নভেম্বর : যে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে জেলের সাজা কাটাচ্ছে স্বামী,সেই স্ত্রীকেই প্রেমিকের সঙ্গে আনন্দ করতে দেখা গেলো । বিহারের মতিহারির বিবাহিত মহিলা গুঞ্জাকে উত্তর প্রদেশের নয়ডায় জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তার স্বামী রঞ্জিত প্যাটেলকে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে চার মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। রঞ্জিতের পরিবার তার প্রেমিকের সাথে গুঞ্জাকে হাতেনাতে ধরেছে। জেরায় গুঞ্জা কবুল করেছেন যে তিনি প্রেমিকের জন্য বাড়ি ছেড়েছিলেন । পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করেছে এবং গুঞ্জার স্বামী রঞ্জিতকে জেল থেকে বের করে আনার প্রক্রিয়া চলছে ।
বিয়ের আগে থেকেই অন্য পুরুষের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গুঞ্জার । তিনি প্রেমিকের সাথেই সংসার করতে চেয়েছিলেন । কিন্তু পরিবার রঞ্জিতের সাথে তার বিয়ে দিয়ে দেয় । ফলস্বরূপ, তিনি বিহার থেকে লুকিয়ে নয়ডায় পালিয়ে আসেন। তার পরিবার হত্যা এবং দেহ পাচারের অভিযোগে রঞ্জিতের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় যখন পুলিশ তদন্তের পরিবর্তে স্বামীকে খুনি ঘোষণা করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে । স্বামীকে চার মা ধরে কারাগারে রাখা হয় । আদালত সাজার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সর্বনিম্ন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা প্রত্যাশিত ছিল। তবে, যুবকের পরিবার কর্তৃক প্রাপ্ত একটি সঠিক তথ্য একজন নির্দোষ পুরুষের জেল থেকে মুক্তির পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে ।
রঞ্জিতের বাবা রমেশ কুমার প্যাটেল বলেছেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজেও মেয়েটিকে পালাতে দেখা গেছে। অথচ পুলিশ কোনো তদন্ত না করেই আমার ছেলেকে জেলা পাঠিয়ে দিয়েছে । এখন আমার যা খরচ হয়েছে সব পুলিশকে দিতে হবে৷’ তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন । অন্যদিকে মতিহারি জেলার আরেরাজ এসডিপিও রবি কুমারের কথায়, ‘ঘটনা যখন ঘটেছিল তখন আমি ছিলাম না । আমি নতুন এসেছি । ঘটনার তদন্ত চলছে ।’।

