এইদিন ওয়েবডেস্ক,কলকাতা,১১ ফেব্রুয়ারী : কলকাতার ভবানীপুর হল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ৷ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়ে তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনে জয়ী হন । এদিকে একাধিক জনসভা থেকে শুরু করে বিধানসভাতে পর্যন্ত বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হুঁঙ্কার দিয়ে রেখেছেন,”মমতাকে ভবানীপুরেই হারাবই”৷ আজ বুধবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘ভবানীপুরে পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে তৃণমূলকে৷’
আজ শুভেন্দু অধিকারী এক্স-এ একটা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করেছেন । ভিডিও-তে রাস্তার পাশে বিদ্যুতের পোলে টাঙানো বিজেপির দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলতে দেখা গেছে ৩-৪ জনকে৷ শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন,”ইঙ্গিত স্পষ্ট – ভবানীপুরে পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে তৃণমূলকে !!!আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর যে, আর মাননীয়ার জন্যে নিরাপদ আসন নয় তা তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট। গভীর রাতে ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা খুলে নিয়ে পোড়াচ্ছে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা।এই ভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না, যত পতাকা খুলবেন, পোড়াবেন, তত জয়ের ব্যবধান বাড়বে বিজেপির। গতবারে নন্দীগ্রামের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, এবারে ভবানীপুরের মানুষ বিদায় জানাবেন।”
২০২১-এর বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে প্রায় ২ হাজার ভোটে হেরে যান তিনি। পরে উপনির্বাচনে ভবানীপুর থেকে জিতে আসেন। এবার সামনে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে, ফের কি ভবানীপুরে প্রার্থী হবেন মমতা ব্যানার্জি ? তবে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে তিনি যদি ভবানীপুরে প্রার্থী হন তাহলে তাকে ২০ হাজার ভোটে হারাবেন৷ তিনি আরও বলেছিলেন,’ভবানীপুরে SIR-এর পরে হারাব ওঁকে। ৮টা ওয়ার্ডের ৫টাতে বিজেপির লিড আছে। বিজেপি হারাবে। যে দাঁড়াবে সে হারাবে। বিজেপি ওখানে ২০১৪ সালে হারিয়েছে। SIR-এর পরে উনি হারবেন। আপনাকেই হাঁটাব। নন্দীগ্রামে হারিয়েছি। ভবানীপুরে হারাব। প্রাক্তন করব। আপনার ভাইপোকে জেলে পাঠাব।’ তবে কলকাতার মুসলিম অধ্যুষিত মেটিয়াবুরুজের মত কোনো আসনে মমতা ব্যানার্জি দাঁড়ালে তিনি হারাতে পারবেন না বলেও জানিয়েছিলেন৷।
