এইদিন ওয়েবডেস্ক,মালদা,০৮ জানুয়ারী : চলন্ত বাইক থেকে পিছলে পড়ে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধার মৃত্যুতেও “এসআইআর আতঙ্ক” দেখছেন মৃতার পরিবার ও হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তাজমূল হোসেন । মৃতার নাম সাবেরা বিবি। তার বাড়ি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মোহনপুর গ্রামে । মৃতার ছেলে এনামুল হকের দাবি এসআইআর শুনানিতে ডাক পড়ায় আতঙ্কে সেরিব্রাল স্ট্রোক হয়ে মারা গেছেন তার মা৷ একই দাবি করেছেন তৃণমূলের মন্ত্রী তাজমূল হোসেনও । তারা দু’জনের এনিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে “ধিক্কার” জানিয়েছেন ।
প্রসঙ্গত,বর্তমানে খসড়া তালিকায় ভোটারদের নথিপত্র যাচাই বাছাইয়ের কাজ করছে নির্বাচন কমিশন ৷ অসঙ্গতিপূর্ণ নথির ভোটারদের শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে । জানা গেছে,মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবেরা বিবির ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল । কিন্তু নির্বাচন কমিশন তার জমা দেওয়া নথিতে কিছু অসঙ্গতি খুঁজে পায় । যেকারণে তাকে শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।
জানা গেছে,মঙ্গলবার ছেলে এনামুল হকের বাইকের পিছনে চড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ বিডিও অফিস থেকে কিছু নথি সংগ্রহ করতে যান সাবেরা বিবি। সেই সময় বাইকের ঝাঁকুনিতে পিছলে রাস্তায় পড়ে যান । চলন্ত বাইক থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন ওই বৃদ্ধা । প্রথমে তাকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাকে । সেখান অবস্থার অবনতি হলে থেকে তাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল । কিন্তু রাস্তাতেই মৃত্যু হয় তার ।
এনামুল হকের দাবি,বিডিও অফিসে যাওয়ার সময়েই তার মা ভোটার তালিকায় নাম কাটা যাওয়ার জন্য আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন । তার সন্দেহ যে সেই আতঙ্কেই তার মা “সেরিব্রাল স্ট্রোকে” মারা গেছেন । তিনি বলেন,”আমি বিজেপি সরকারকে ধিক্কার জানাই ।” তিনি এসআইআর বন্ধেরও দাবি জানান৷ একইভাবে “এসআইআর আতঙ্কে” ওই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী তাজমূল হোসেন।।

