• Blog
  • Home
  • Privacy Policy
Eidin-Bengali News Portal
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
Eidin-Bengali News Portal
No Result
View All Result

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মূলম্ – একাদশ অধ্যায়ঃ : এই অধ্যায়ে ঈশ্বরের সর্বব্যাপী ও মহাজাগতিক স্বরূপের এক অসাধারণ  চিত্র তুলে ধরা হয়েছে

Eidin by Eidin
January 16, 2026
in ব্লগ
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মূলম্ – একাদশ অধ্যায়ঃ : এই অধ্যায়ে ঈশ্বরের সর্বব্যাপী ও মহাজাগতিক স্বরূপের এক অসাধারণ  চিত্র তুলে ধরা হয়েছে
4
SHARES
50
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার একাদশ অধ্যায়টি বিশ্বরূপ দর্শন যোগ নামে পরিচিত, যেখানে অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের মহাজাগতিক, অসীম এবং ভয়াবহ বিশ্বরূপ দর্শন করেন, যা তাঁর মোহ দূর করে এবং তাঁকে পরমেশ্বরের ঐশ্বরিক রূপের মহিমা উপলব্ধি করতে সাহায্য করে, যার ফলে অর্জুন ভীত ও বিস্মিত হয়ে কৃষ্ণের কাছে তাঁর পূর্বরূপ প্রদর্শনের জন্য প্রার্থনা করেন। 

ওং শ্রী পরমাত্মনে নমঃ
অথ একাদশোঽধ্যায়ঃ ।
বিশ্বরূপসংদর্শনয়োগঃ

অর্জুন উবাচ
মদনুগ্রহায় পরমং গুহ্যমধ্যাত্মসংজ্ঞিতম্ ।
যত্ত্বয়োক্তং বচস্তেন মোহোঽয়ং বিগতো মম ॥ 1 ॥

ভবাপ্যয়ৌ হি ভূতানাং শ্রুতৌ বিস্তরশো ময়া ।
ত্বত্তঃ কমলপত্রাক্ষ মাহাত্ম্যমপি চাব্যয়ম্ ॥ 2 ॥

এবমেতদ্যথাত্থ ত্বমাত্মানং পরমেশ্বর ।
দ্রষ্টুমিচ্ছামি তে রূপমৈশ্বরং পুরুষোত্তম ॥ 3 ॥

মন্যসে যদি তচ্ছক্যং ময়া দ্রষ্টুমিতি প্রভো ।
যোগেশ্বর ততো মে ত্বং দর্শয়াত্মানমব্যয়ম্ ॥ 4 ॥

শ্রীভগবানুবাচ
পশ্য় মে পার্থ রূপাণি শতশোঽথ সহস্রশঃ ।
নানাবিধানি দিব্যানি নানাবর্ণাকৃতীনি চ ॥ 5 ॥

পশ্য়াদিত্য়ান্বসূন্রুদ্রানশ্বিনৌ মরুতস্তথা ।
বহূন্যদৃষ্টপূর্বাণি পশ্য়াশ্চর্য়াণি ভারত ॥ 6 ॥

ইহৈকস্থং জগত্কৃত্স্নং পশ্যাদ্য সচরাচরম্ ।
মম দেহে গুডাকেশ যচ্চান্যদ্দ্রষ্টুমিচ্ছসি ॥ 7 ॥

ন তু মাং শক্যসে দ্রষ্টুমনেনৈব স্বচক্ষুষা ।
দিব্যং দদামি তে চক্ষুঃ পশ্য মে যোগমৈশ্বরম্ ॥ 8 ॥

সংজয় উবাচ
এবমুক্ত্বা ততো রাজন্মহায়োগেশ্বরো হরিঃ ।
দর্শয়ামাস পার্থায় পরমং রূপমৈশ্বরম্ ॥ 9 ॥

অনেকবক্ত্রনযন-মনেকাদ্ভুতদর্শনম্ ।
অনেকদিব্যাভরণং দিব্যানেকোদ্যতায়ুধম্ ॥ 10 ॥

দিব্যমাল্যাংবরধরং দিব্যগংধানুলেপনম্ ।
সর্বাশ্চর্যময়ং দেবমনংতং বিশ্বতোমুখম্ ॥ 11 ॥

দিবি সূর্যসহস্রস্য ভবেদ্যুগপদুত্থিতা ।
যদি ভাঃ সদৃশী সা স্যাদ্ভাসস্তস্য মহাত্মনঃ ॥ 12 ॥

তত্রৈকস্থং জগত্কৃত্স্নং প্রবিভক্তমনেকধা ।
অপশ্যদ্দেবদেবস্য শরীরে পান্ডবস্তদা ॥ 13 ॥

ততঃ স বিস্ময়াবিষ্টো হৃষ্টরোমা ধনঞ্জয়ঃ ।
প্রণম্য শিরসা দেবং কৃতাঞ্জলিরভাষত ॥ 14 ॥

অর্জুন উবাচ
পশ্যামি দেবাংস্তব দেব দেহে সর্বাংস্তথা ভূতবিশেষসংঘান্।
ব্রহ্মাণমীশং কমলাসনস্থ-মৃষীংশ্চ সর্বানুরগাংশ্চ দিব্যান্ ॥ 15 ॥
–
অনেকবাহূদরবক্ত্রনেত্রং পশ্যামি ত্বাং সর্বতোঽনংতরূপম্।
নাংতং ন মধ্যং ন পুনস্তবাদিং পশ্যামি বিশ্বেশ্বর বিশ্বরূপ ॥ 16 ॥

কিরীটিনং গদিনং চক্রিণং চ তেজোরাশিং সর্বতো দীপ্তিমংতম্।
পশ্য়ামি ত্বাং দুর্নিরীক্ষ্য়ং সমংতাদ্দীপ্তানলার্কদ্য়ুতিমপ্রমেয়ম্ ॥ 17 ॥

ত্বমক্ষরং পরমং বেদিতব্যং ত্বমস্য বিশ্বস্য পরং নিধানম্।
ত্বমব্যয়ঃ শাশ্বতধর্মগোপ্তা সনাতনস্ত্বং পুরুষো মতো মে ॥ 18 ॥

অনাদিমধ্যাংতমনংতবীর্য়-মনংতবাহুং শশিসূর্যনেত্রম্।
পশ্যামি ত্বাং দীপ্তহুতাশবক্ত্রং স্বতেজসা বিশ্বমিদং তপংতম্ ॥ 19 ॥

দ্যাবাপৃথিব্যোরিদমংতরং হি ব্যাপ্তং ত্বয়ৈকেন দিশশ্চ সর্বাঃ।
দৃষ্ট্বাদ্ভুতং রূপমুগ্রং তবেদং লোকত্রয়ং প্রব্যথিতং মহাত্মন্ ॥ 20 ॥

অমী হি ত্বাং সুরসংঘা বিশংতি কেচিদ্ভীতাঃ প্রাংজলয়ো গৃণংতি।
স্বস্তীত্য়ুক্ত্বা মহর্ষিসিদ্ধসংঘাঃ স্তুবংতি ত্বাং স্তুতিভিঃ পুষ্কলাভিঃ ॥ 21 ॥

রুদ্রাদিত্যা বসবো যে চ সাধ্যা বিশ্বেঽশ্বিনৌ মরুতশ্চোষ্মপাশ্চ।
গংধর্বয়ক্ষাসুরসিদ্ধসংঘা বীক্ষংতে ত্বাং বিস্মিতাশ্চৈব সর্বে ॥ 22 ॥

রূপং মহত্তে বহুবক্ত্রনেত্রং মহাবাহো বহুবাহূরুপাদম্।
বহূদরং বহুদংষ্ট্রাকরালং দৃষ্ট্বা লোকাঃ প্রব্যথিতাস্তথাহম্ ॥ 23 ॥

নভঃস্পৃশং দীপ্তমনেকবর্ণং ব্যাত্তাননং দীপ্তবিশালনেত্রম্।
দৃষ্ট্বা হি ত্বাং প্রব্যথিতাংতরাত্মা ধৃতিং ন বিংদামি শমং চ বিষ্ণো ॥ 24 ॥

দংষ্ট্রাকরালানি চ তে মুখানি দৃষ্ট্বৈব কালানলসংনিভানি।
দিশো ন জানে ন লভে চ শর্ম প্রসীদ দেবেশ জগন্নিবাস ॥ 25 ॥

অমী চ ত্বাং ধৃতরাষ্ট্রস্য় পুত্রাঃ সর্বে সহৈবাবনিপালসংঘৈঃ।
ভীষ্মো দ্রোণঃ সূতপুত্রস্তথাসৌ সহাস্মদীয়ৈরপি যোধমুখ্য়ৈঃ ॥ 26 ॥

বক্ত্রাণি তে ত্বরমাণা বিশংতি দংষ্ট্রাকরালানি ভয়ানকানি।
কেচিদ্বিলগ্না দশনাংতরেষু সংদৃশ্যংতে চূর্ণিতৈরুত্তমাংগৈঃ ॥ 27 ॥

যথা নদীনাং বহবোঽংবুবেগাঃ সমুদ্রমেবাভিমুখা দ্রবংতি।
তথা তবামী নরলোকবীরা বিশংতি বক্ত্রাণ্যভিবিজ্বলংতি ॥ 28 ॥

যথা প্রদীপ্তং জ্বলনং পতংগা বিশংতি নাশায় সমৃদ্ধবেগাঃ।
তথৈব নাশায় বিশংতি লোকাস্তবাপি বক্ত্রাণি সমৃদ্ধবেগাঃ ॥ 29 ॥

লেলিহ্যসে গ্রসমানঃ সমংতাল্লোকান্সমগ্রা-ন্বদনৈর্জ্বলদ্ভিঃ।
তেজোভিরাপূর্য় জগত্সমগ্রং ভাসস্তবোগ্রাঃ প্রতপংতি বিষ্ণো ॥ 30 ॥

আখ্যাহি মে কো ভবানুগ্ররূপো নমোঽস্তু তে দেববর প্রসীদ।
বিজ্ঞাতুমিচ্ছামি ভবংতমাদ্য়ং ন হি প্রজানামি তব প্রবৃত্তিম্ ॥ 31 ॥

শ্রীভগবানুবাচ
কালোঽস্মি লোকক্ষযকৃত্প্রবৃদ্ধো লোকান্সমাহর্তুমিহ প্রবৃত্তঃ।
ঋতেঽপি ত্বাং ন ভবিষ্য়ংতি সর্বে যেঽবস্থিতাঃ প্রত্যনীকেষু যোধাঃ ॥ 32 ॥

তস্মাত্ত্বমুত্তিষ্ঠ যশো লভস্ব জিত্বা শত্রূন্ভুংক্ষ্ব রাজ্য়ং সমৃদ্ধম্।
ময়ৈবৈতে নিহতাঃ পূর্বমেব নিমিত্তমাত্রং ভব সব্যসাচিন্ ॥ 33 ॥

দ্রোণং চ ভীষ্মং চ জযদ্রথং চ কর্ণং তথান্যানপি যোধবীরান্।
ময়া হতাংস্ত্বং জহি মা ব্যথিষ্ঠা যুধ্যস্ব জেতাসি রণে সপত্নান্ ॥ 34 ॥

সংজয় উবাচ
এতচ্ছ্রুত্বা বচনং কেশবস্য় কৃতাংজলির্বেপমানঃ কিরীটী।
নমস্কৃত্বা ভূয় এবাহ কৃষ্ণং সগদ্গদং ভীতভীতঃ প্রণম্য় ॥ 35 ॥

অর্জুন উবাচ
স্থানে হৃষীকেশ তব প্রকীর্ত্য়া জগত্প্রহৃষ্যত্যনুরজ্যতে চ।
রক্ষাংসি ভীতানি দিশো দ্রবংতি সর্বে নমস্য়ংতি চ সিদ্ধসংঘাঃ ॥ 36 ॥

কস্মাচ্চ তে ন নমেরন্মহাত্মন্গরীযসে ব্রহ্মণোঽপ্য়াদিকর্ত্রে।
অনংত দেবেশ জগন্নিবাস ত্বমক্ষরং সদসত্তত্পরং যত্ ॥ 37 ॥

ত্বমাদিদেবঃ পুরুষঃ পুরাণস্ত্বমস্য বিশ্বস্য পরং নিধানম্।
বেত্তাসি বেদ্যং চ পরং চ ধাম ত্বয়া ততং বিশ্বমনংতরূপ ॥ 38 ॥

বায়ুর্যমোঽগ্নির্বরুণঃ শশাংকঃ প্রজাপতিস্ত্বং প্রপিতামহশ্চ।
নমো নমস্তেঽস্তু সহস্রকৃত্বঃ পুনশ্চ ভূয়োঽপি নমো নমস্তে ॥ 39 ॥

নমঃ পুরস্তাদথ পৃষ্ঠতস্তে নমোঽস্তু তে সর্বত এব সর্ব।
অনংতবীর্য়ামিতবিক্রমস্ত্বং সর্বং সমাপ্নোষি ততোঽসি সর্বঃ ॥ 40 ॥

সখেতি মত্বা প্রসভং যদুক্তং হে কৃষ্ণ হে যাদব হে সখেতি।
অজানতা মহিমানং তবেদং ময়া প্রমাদাত্প্রণয়েন বাপি ॥ 41 ॥

যচ্চাবহাসার্থমসত্কৃতোঽসি বিহারশয়্য়াসনভোজনেষু।
একোঽথবাপ্যচ্য়ুত তত্সমক্ষং তত্ক্ষাময়ে ত্বামহমপ্রমেয়ম্ ॥ 42 ॥

পিতাসি লোকস্য চরাচরস্য ত্বমস্য পূজ্যশ্চ গুরুর্গরীয়ান্।
ন ত্বত্সমোঽস্ত্যভ্যধিকঃ কুতোঽন্যো লোকত্রয়েঽপ্যপ্রতিমপ্রভাব ॥ 43 ॥

তস্মাত্প্রণম্য প্রণিধায় কায়ং প্রসাদয়ে ত্বামহমীশমীড্যম্।
পিতেব পুত্রস্য সখেব সখ্যঃ প্রিয়ঃ প্রিয়ায়ার্হসি দেব সোঢুম্ ॥ 44 ॥

অদৃষ্টপূর্বং হৃষিতোঽস্মি দৃষ্ট্বা ভয়েন চ প্রব্যথিতং মনো মে।
তদেব মে দর্শয় দেবরূপং প্রসীদ দেবেশ জগন্নিবাস ॥ 45 ॥

কিরীটিনং গদিনং চক্রহস্তমিচ্ছামি ত্বাং দ্রষ্টুমহং তথৈব।
তেনৈব রূপেণ চতুর্ভুজেন সহস্রবাহো ভব বিশ্বমূর্তে ॥ 46 ॥

শ্রীভগবানুবাচ
ময়া প্রসন্নেন তবার্জুনেদং রূপং পরং দর্শিতমাত্ময়োগাত্।
তেজোময়ং বিশ্বমনংতমাদ্যং যন্মে ত্বদন্যেন ন দৃষ্টপূর্বম্ ॥ 47 ॥

ন বেদয়জ্ঞাধ্যযনৈর্ন দানৈর্ন চ ক্রিয়াভির্ন তপোভিরুগ্রৈঃ।
এবংরূপঃ শক্য অহং নৃলোকে দ্রষ্টুং ত্বদন্যেন কুরুপ্রবীর ॥ 48 ॥

মা তে ব্যথা মা চ বিমূঢভাবো দৃষ্ট্বা রূপং ঘোরমীদৃঙ্মমেদম্।
ব্যপেতভীঃ প্রীতমনাঃ পুনস্ত্বং তদেব মে রূপমিদং প্রপশ্য ॥ 49 ॥

সংজয় উবাচ
ইত্যর্জুনং বাসুদেবস্তথোক্ত্বা স্বকং রূপং দর্শয়ামাস ভূয়ঃ।
আশ্বাসয়ামাস চ ভীতমেনং ভূত্বা পুনঃ সৌম্যবপুর্মহাত্মা ॥ 50 ॥

অর্জুন উবাচ
দৃষ্ট্বেদং মানুষং রূপং তব সৌম্যং জনার্দন ।
ইদানীমস্মি সংবৃত্তঃ সচেতাঃ প্রকৃতিং গতঃ ॥ 51 ॥

শ্রীভগবানুবাচ
সুদুর্দর্শমিদং রূপং দৃষ্টবানসি যন্মম ।
দেবা অপ্যস্য রূপস্য নিত্যং দর্শনকাংক্ষিণঃ ॥ 52 ॥

নাহং বেদৈর্ন তপসা ন দানেন ন চেজ্যয়া ।
শক্য এবংবিধো দ্রষ্টুং দৃষ্টবানসি মাং যথা ॥ 53 ॥

ভক্ত্য়া ত্বনন্যয়া শক্য অহমেবংবিধোঽর্জুন ।
জ্ঞাতুং দ্রষ্টুং চ তত্ত্বেন প্রবেষ্টুং চ পরংতপ ॥ 54 ॥

মত্কর্মকৃন্মত্পরমো মদ্ভক্তঃ সংগবর্জিতঃ ।
নির্বৈরঃ সর্বভূতেষু যঃ স মামেতি পাংডব ॥ 55 ॥

।। ওং তত্সদিতি শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাসূপনিষত্সু ব্রহ্মবিদ্যায়াং যোগশাস্ত্রে শ্রীকৃষ্ণার্জুনসংবাদে বিশ্বরূপদর্শনয়োগো নামৈকাদশোঽধ্যায়ঃ ॥

অধ্যায়ের মূল বিষয়:

অর্জুনের প্রার্থনা ও কৃষ্ণের বিশ্বরূপ: অর্জুন কৃষ্ণের কাছে তাঁর ঐশ্বরিক, বিশ্বব্যাপী রূপ দেখতে চান, যা কৃষ্ণ তাঁর ‘যোগশক্তি’র মাধ্যমে প্রকাশ করেন, যেখানে ব্রহ্মা, শিব, দেবতা, সমস্ত প্রাণী, নক্ষত্র, মহাবিশ্বের সবকিছুই কৃষ্ণের মধ্যে বিদ্যমান।

বিশ্বরূপের বর্ণনা: এই রূপে অসংখ্য মুখ, চোখ, বাহু, দিব্য অলঙ্কার ও বস্ত্র শোভিত, যা আলোকময়, অসীম এবং সর্বব্যাপী।

অর্জুনের ভয় ও বিস্ময়: এই ভয়ংকর রূপ দেখে অর্জুন ভীত ও বিচলিত হয়ে পড়েন, যা তাঁর পূর্বের জ্ঞানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হয়।

কৃষ্ণের সান্ত্বনা: কৃষ্ণ অর্জুনকে ভয় না পেতে এবং তাঁর এই বিশ্বরূপ কেবলমাত্র তাঁরই জন্য প্রকাশিত হয়েছে বলে সান্ত্বনা দেন।

পূর্বরূপের প্রার্থনা: অর্জুন তখন কৃষ্ণের কাছে তাঁর সেই চার হাত-যুক্ত, শঙ্খ, চক্র, গদাধারী, মুকুটধারী পরিচিত মানবীয় রূপটি পুনরায় দেখতে চান।

মোহমুক্তি: এই দর্শনের ফলে অর্জুনের সকল ভ্রান্তি ও সংশয় দূর হয় এবং তিনি কৃষ্ণের প্রতি সম্পূর্ণ ভক্তি ও বিশ্বাস স্থাপন করেন। 

এই অধ্যায়টি হিন্দুধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা ঈশ্বরের সর্বব্যাপী ও মহাজাগতিক স্বরূপের এক অসাধারণ চিত্র তুলে ধরেছে। 

Previous Post

মালদায় পৌঁছে গেল দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার কোচ, শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

Next Post

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোনো ম্যাচ খেলাই উচিত নয় বলে মনে করছেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার

Next Post
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোনো ম্যাচ খেলাই উচিত নয় বলে মনে করছেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোনো ম্যাচ খেলাই উচিত নয় বলে মনে করছেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার

No Result
View All Result

Recent Posts

  • ভেনেজুয়েলার পতনকে ভারতের জন্য “একটি ভয়ঙ্কর সতর্কীকরণ” বলে মনে করছেন তথাগত রায় ; তাঁর এই অকাট্য যুক্তি আপনাকে ভাবিয়ে তুলবে 
  • বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কোনো ম্যাচ খেলাই উচিত নয় বলে মনে করছেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার
  • শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা মূলম্ – একাদশ অধ্যায়ঃ : এই অধ্যায়ে ঈশ্বরের সর্বব্যাপী ও মহাজাগতিক স্বরূপের এক অসাধারণ  চিত্র তুলে ধরা হয়েছে
  • মালদায় পৌঁছে গেল দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার কোচ, শনিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • অশ্লীল চলচিত্র জগতে বিক্রি করে দেওয়া একটি শিশুকন্যার করুন কাহিনী 
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.