এইদিন বিনোদন ডেস্ক,২১ মার্চ : রণবীর সিং-এর সর্বভারতীয় ছবি ‘ধুরান্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’, যা বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছে, বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ছবিটি ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে । প্রথম দিনেই মোট ১৫০ কোটি টাকা বক্স অফিস কালেকশন করেছে ছবিটি । তবে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিলের বক্তব্য দেখানোয় চরম ক্ষুব্ধ ছদ্ম ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা ।
আল্লু অর্জুন, বিজয় দেবেরাকোন্ডা, প্রভাস-সহ আরও অনেক বিখ্যাত তেলেগু অভিনেতা ছবিটি দেখার পর এর নির্মাণশৈলী এবং রণবীর সিং-এর অভিনয়ের প্রশংসা করলেও,কন্নড় ছবি স্যান্ডালউডের সেকুলার অভিনেত্রী রম্যা তাঁর গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সিনেমা হলে কীভাবে ধৈর্যের পরীক্ষা হওয়া উচিত, এই ছবিটি তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
যদিও ছবিটি বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করেছে এবং বহু মানুষ এর প্রশংসাও করছেন । তবে রম্যা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করে দর্শকদের এই ছবিটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে অর্থ ও সময় দুটোই নষ্ট না করার জন্য অনুরোধ করেছেন। তার কথায়,সিনেমাটি একটি নীরস পাঠ্যবইয়ের অন্তহীন অধ্যায় পড়ার মতো। এই সিনেমাটি দেখতে দেখতে আপনার মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। দর্শকদের তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে সিনেমা হলে গিয়ে টাকা নষ্ট করার চেয়ে কিছুদিন অপেক্ষা করে ওটিটি-তে ছবিটি দেখা ভালো।
তিনি বলেছেন, মাঝপথে উঠে চলে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। পরিচালনা, সংলাপ, সম্পাদনা, আবহ সঙ্গীত—কোনোটাই নিখুঁত নয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, পরিচালক কেন ১৯ মার্চ তাড়াহুড়ো করে ছবিটি মুক্তি দিলেন।ধুরন্ধরের প্রথম অংশে দর্শকরা উচ্চস্বরে উল্লাস করছিল। তবে, এই ছবিটি নিয়ে তারা পুরোপুরি হতাশ। রম্যা লিখেছেন যে প্রেক্ষাগৃহের সবাই দৃশ্যত বিচলিত ছিলেন।
তার কথায়,সিনেমায় সহিংসতার ছড়াছড়ি। হাতের কাছে থাকা যেকোনো বস্তুকে মারাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে যে কীভাবে হিংসা ঘটানো যায়, এটি তারই প্রমাণ। যেন পরিচালক নিজেই নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছেন। তিনি বলেছেন যে, ওই দৃশ্যগুলো দেখে হতবাক হওয়ার বদলে তিনি হাসেন।।
