এইদিন স্পোর্টস নিউজ,২৩ মার্চ : পাকিস্তানি ক্রিকেট দল আবারও খবরের শিরোনামে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং তার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-আমেরিকায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স কেবল খুবই খারাপ ছিল না, খেলোয়াড়দের আচরণও ছিল খুবই খারাপ। একসময় পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা ভক্তদের সাথে রাতের খাবারের জন্য টাকা নেওয়ার খবর ছিল, এখন খবর হল যে একজন পাকিস্তানি খেলোয়াড় আমেরিকায় ৩টি দামি ব্যাট কিনেছিলেন, কিন্তু সেগুলোর দাম মেটাননি। শুধু তাই নয়, এখন দোকানের ম্যানেজার যখন টাকা চাইতে তাকে ফোন করেন, তখন ওই পাকিস্তানি খেলোয়াড় ফোন বা মেসেজেরও উত্তর দিচ্ছেন না।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় নিউ জার্সির একটি ক্রিকেট দোকান থেকে একজন পাকিস্তানি খেলোয়াড় (নাম প্রকাশ করা হয়নি) তিনটি দামি ব্যাট কিনেছিলেন, কিন্তু টাকা না পেয়ে দোকানদার ওয়াহিদ খানের মন ভেঙে যায়। ওয়াহিদ বলেন যে তিনি খেলোয়াড়টিকে বেশ কয়েকবার ফোন এবং মেসেজ করেছিলেন, কিন্তু কোনও সাড়া পাননি। বিশেষ বিষয় হলো, দোকানদার নিজেই আমেরিকার নিউ জার্সি রাজ্যে অবস্থিত দোকান থেকে এই ব্যাটগুলি নিউ ইয়র্কে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন,তার কাছ থেকে ব্যাটগুলি নেওয়া হয়েছিল কিন্তু ব্যাটের দাম দেওয়া হয়নি। এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। অনেক ভক্ত প্রাক্তন অধিনায়ক বাবর আজমকে সন্দেহ করছে । এনিয়ে তারা এক্স-এ বাবর আজমকে ট্রোল করছেন। তাদের প্রশ্ন হল যে কে এই খেলোয়াড় যে নিজের সম্মান ঝুঁকির মুখে ফেলছে ?এই ঘটনা পাকিস্তানি ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। ভক্তরা বলছেন যে মাঠে খ্যাতি অর্জনকারী খেলোয়াড়দের এই ধরনের কাজ এড়ানো উচিত। ওয়াহিদের কষ্টার্জিত টাকা আটকে আছে এবং মানুষ দাবি করছে যে খেলোয়াড় এগিয়ে আসুক, সত্য কথা বলুক এবং টাকা পরিশোধ করুক। এই বিতর্ক এখন দলের জন্য লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য,একই বিশ্বকাপে আরও একটি চমকপ্রদ বিষয় সামনে এসেছে। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ‘জং’-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, কিছু পাকিস্তানি খেলোয়াড় ডালাসে ভক্তদের ডিনারের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং প্রত্যেকের কাছ থেকে ২,৫০০ মার্কিন ডলার করে উসুল করেছিলেন। আরেকটি ইভেন্ট ‘নাইট উইথ স্টারস’ টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের কারণে বাতিল করা হয়েছিল, যেখানে বাবর আজম এবং বাকি খেলোয়াড়দের মধ্যে ফি নিয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছিল এবং তারা তুমুল বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে । প্রসঙ্গত, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি রাতের খাবার এবং টাকার বিষয়টি নিয়ে অনেক অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেছেন। তবে, এটা ভিন্ন বিষয় যে কোনও খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।।