এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০৭ জানুয়ারী : টাকার লোভে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খোমিনিকে উৎখাত করতে ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গ হাত মিলিয়েছে পাকিস্তান । ইরান নিয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই-এর একপ্রস্ত আলোচনাও হয়েছে বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ইরানের সরকার উৎখাতের বিষয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে।
সূত্র বলছে যে উভয় দেশের একটি যৌথ গোয়েন্দা প্রতিনিধিদল সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা পেতে ইসলামাবাদে ভ্রমণ করেছে। পাকিস্তান সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সাথে গোপন দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে লজিস্টিক সহযোগিতা, সামরিক জনবল, ইরানের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রচারণা এবং নতুন সরকারের প্রস্তুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।বিনিময়ে, আসিম মুনিরের উপর আন্তর্জাতিক চাপ এড়ানো এবং পাকিস্তানকে গোপন অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।
এদিকে ইরানে দেশব্যাপী বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে ইসরায়েল হায়োম লিখেছেন যে, ট্রাম্প সম্প্রতি সৌদি আরব ও ওমানের মধ্যস্থতায় ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সাথে আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য স্টিভেন হুইটেকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপের আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নিয়েছেন। ইসরায়েল হায়োম লিখেছেন যে, ইরানে চলমান বিক্ষোভের চূড়ান্ত ফলাফল সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা এখনও খুব তাড়াতাড়ি হলেও, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রচলিত ধারণা হলো যে, এই পরিস্থিতিতে সরকার ইসরায়েলে আক্রমণ করবে না। নিবন্ধটিতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে ট্রাম্পের সাথে তার চুক্তি সম্পর্কে নেতানিয়াহুর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ লেবাননের সংবাদপত্র আল-আখবার জানিয়েছে যে, লেবাননের কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে তথ্য পেয়েছেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহ তাদের সাম্প্রতিক বৈঠকের সময় ইরানে আক্রমণ করার জন্য একটি শর্তসাপেক্ষ চুক্তিতে পৌঁছেছেন।।

