এইদিন ওয়েবডেস্ক,মালদা,০৫ এপ্রিল : শনিবার মালদার সামসীতে নির্বাচনী জনসভার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যখন হেলিকপ্টারে উঠতে যাচ্ছিলেন তখন আকাশে একটি রহস্যময় ড্রোন ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে । যদিও মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ ৩ জনকে আটক করে ফেলে। তাদের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন সহ বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। আজ রবিবার ধৃতদের চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলা হয় ৷ তবে মূল অভিযুক্ত নূর আখতার বলেছেন,”হ্যাঁ, আমরা ড্রোন উড়িয়েছি… আমরা টিএমসি-র প্রার্থী মতিউর রহমানের পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইনের কাজ করছি… আমার সহযোগী নিষেধ সত্ত্বেও ড্রোনটি উড়িয়েছিল, না জেনে-বুঝে সেরা শটটি রেকর্ড করার জন্য…”।
শনিবার মালদা জেলার মালতিপুরের প্রার্থী আব্দুল রহিম বক্সি ও রতুয়ার প্রার্থী সমর মুখার্জির সমর্থনে সামসি কলেজ ময়দানে সভা করেন মমতা ব্যানার্জি৷ পরে গাজোল বিধানসভার প্রার্থী প্রসেনজিৎ দাসের সমর্থনে গাজোল কলেজ সংলগ্ন মাঠে সভা করেন মমতা । কিন্তু সামসি কলেজ ময়দানে সভা শেষে মমতা যখন হেলিকপ্টারে উঠতে যাবেন,ঠিক তখনই একটি ড্রোনকে আকাশে চক্কর কাটতে দেখা যায় । ড্রোন নামানোর জন্য মাইকে বারবার ঘোষণা করা হলেও তা অমান্য করা হয় । এরপর খোদ মমতা মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করে পুলিশকে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন । শেষ পর্যন্ত তিন যুবককে ধরে ফেলে পুলিশ ।
ধৃত অভিযুক্তদের মধ্যে একজন, নূর আখতার, ড্রোন ওড়ানোর কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তাঁরা টিএমসি-র একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণার কাজ করছিলেন এবং তাঁর সঙ্গী ড্রোন ওড়ানোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আরও ভালো ফুটেজ ধারণের জন্য না জেনেই সেটি উড়িয়েছিল ।
তবে পুলিশ এই বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না, কারণ অননুমোদিত আকাশসীমায় ড্রোন ওড়ানো একটি গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারত। এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সূত্র অনুযায়ী, এই ড্রোনটির জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।।

