• Blog
  • Home
  • Privacy Policy
Eidin-Bengali News Portal
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ
No Result
View All Result
Eidin-Bengali News Portal
No Result
View All Result

প্রেমিক মহম্মদ খানের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করলেন মুম্বাইয়ের মেডিকেল ছাত্রী ডঃ স্তুতি সোনাওয়ানে ; মর্মস্পর্শী সুইসাইড নোটে উল্লেখ আছে শ্রদ্ধা ওয়াকারের মত টুকরো টুকরো হয়ে ফ্রিজে থাকার কথা

Eidin by Eidin
March 13, 2026
in দেশ
প্রেমিক মহম্মদ খানের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করলেন মুম্বাইয়ের মেডিকেল ছাত্রী ডঃ স্তুতি সোনাওয়ানে ; মর্মস্পর্শী সুইসাইড নোটে উল্লেখ আছে শ্রদ্ধা ওয়াকারের মত টুকরো টুকরো হয়ে ফ্রিজে থাকার কথা
4
SHARES
50
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Whatsapp

এইদিন ওয়েবডেস্ক,মুম্বাই,১৩ মার্চ : “ভালোবাসায় ধর্ম কোনো বাধা নয়”-এমনই ভাবনা পোষণ করতেন মুম্বাইয়ের ২৪ বছর বয়সী হিন্দু ছাত্রী স্তুতি সোনাওয়ানে । দন্তচিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখা ওই তরুনী ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন । সেই কারনে ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ফুজাইল মহম্মদ খানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন স্তুতি । ভবিষ্যতে স্থায়ী সংসার করার স্বপ্নে বিভোর ওই তরুনী প্রেমিক মহম্মদ খানের সঙ্গে লিভ টুগেদার করছিলেন । কিন্তু প্রেমিকের অত্যাচার এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন । দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়াকারের মতো ফ্রিজে টুকরো টুকরো হয়ে থাকার পরিবর্তে নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে তিনি সুইসাইড নোটে উল্লেখ করে গেছেন বলে জানা গেছে । নোটে তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি একজন র‍্যাঙ্ক ছাত্রী ছিলেন, তার মৃত্যুর কারণ ছিল তার প্রেমিক মহম্মদ খান। তিনি মহম্মদ খানের সাথে ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে সম্পর্ক শুরু করেছিলেন । কিন্তু মহম্মদ খানের হয়রানি, মানসিক নির্যাতন এবং অপমানে ক্লান্ত হয়ে স্তুতি সোনাওয়ানে তার করুণ জীবন শেষ করে দেন। শ্রদ্ধা ওয়াকারের মতো ফ্রিজে টুকরো টুকরো হয়ে থাকতে চাননি বলেই এই সিদ্ধান্ত নেন ওই ছাত্রী ।

দীর্ঘ ৬ পৃষ্ঠার একটা সুইসাইড নোট লিখে গেছেন স্তুতি সোনাওয়ানে। তাতে তিনি জানিয়ে গেছেন যে প্রেমিক মহম্মদ খানের হয়রানি তীব্রতর হতে থাকলে তিনি কিছুদিন আগে তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন । কিন্তু তার পরেও থামেনি মহম্মদ খানের হয়রানি । এদিকে, স্তুতির বন্ধুরা বারবার মহম্মদ খানের বিষয়ে তাকে সতর্ক করে দিয়েছিল। শুধু তাই নয়, তারা বারবার দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়াকারের টুকরো টুকরো হয়ে ফ্রিজে থাকার কাহিনী শোনাতো । কিন্তু প্রেমে অন্ধ স্তুতি তাদের কোনো কথায় গুরুত্ব দিত না৷ তিনি মনে করতেন যে তার ভালোবাসার মানুষ মহম্মদ খান অন্যদের থেকে আলাদা । স্তুতি তার হৃদয়, মন এবং শরীর তাকে দিয়েছিল ।

কিন্তু, মহম্মদ খানের প্রতারণা, হয়রানি এবং মানসিক নির্যাতন তীব্রতর হতে থাকলে, সে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেয়। তবে, হয়রানি আরও তীব্র হয়। গভীর রাতে বাড়ি আসা স্তুতি তার ঘরে এসে এক করুণ পরিণতির মুখোমুখি হয় । সকাল ১১ টায়ও, স্তুতি তার ঘর থেকে বের হয়নি। তার বাবা-মা তাকে ফোন করলেও সে সাড়া দেয়নি। পরে তারা যখ৷ দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ঢোকে তখন তরুনীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় । মৃত্যুর আগে, সে ৬ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোটে মহম্মদ খানের হয়রানির কথা লিখেছিল। তাতে সে লিখে যায় যে মহম্মদ খানই তার মৃত্যুর জন্য দায়ী ।

জানা গেছে,মেডিকেলের ছাত্রী স্তুতি সোনাওয়ানে মুম্বাইয়ের অ্যান্টপ হিল এলাকার বাসিন্দা। ডেন্টাল সার্জারির ছাত্রী স্তুতির সাথে মহম্মদ খানের পরিচয় হয় একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে। মহম্মদ খান একটি ভুয়া প্রেমের গল্প তৈরি করেছিল । স্তুতি তার প্রেমের ফাঁদে আটকা পড়েছিলেন। ডেন্টাল পড়ুয়া অন্যান্য সহপাঠীরা স্তুতিকে এই প্রেম সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। তারা সতর্ক করেছিলেন যে স্তুতিকে তারা ফ্রিজে দেখতে চান না । তখন স্তুতি বলেছিলেন, আমার মহম্মদ খান অন্যদের মতো নয়, সে আমাকে খুব ভালোবাসে। সে আমাকে প্রতারণা করবে না, সে আমার অনুভূতিতে আঘাত করতে দেবে না। সে বারবার তার সহপাঠী এবং বন্ধুদের কাছে এই কথা বলেছিল বলে জানিয়ে গেছেন ।

যখন সম্পর্কটি চরম তিক্ত হয়ে ওঠে, তখন স্তুতি একা হয়ে পড়ে। সে তার বন্ধুবান্ধব এবং সহপাঠীদের সামনে তার কষ্ট প্রকাশ করতে পারত না। সে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেয় যে মহম্মদ খানের হাতে দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়াকারের মতো ফ্রিজে টুকরো টুকরো অবস্থায় থাকার চেয়ে সে নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দেবে । গত ৮ মার্চ তার ঘর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ ।

সুইসাইড নোটে তিনি ঠিক কী বলেছিলেন ?

প্রিয় ফুজাইল,

দাদরে আমাদের প্রথম দেখাটা এখনও মনে আছে। আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা হেঁটেছিলাম আর তুমি পিৎজা খাওয়ার সময় হাসছিলে আর চিৎকার করছিলে। আমরা তখনই ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম।

তাজ হোটেলে তুমি যেভাবে আমার জন্মদিন উদযাপন করেছিলে, যেভাবে ঘরটি সাজিয়েছিলে, তা আমি কখনো ভুলব না। আমি কখনো কল্পনাও করিনি যে কেউ আমার সাথে এত বিশেষ আচরণ করবে।

আমাদের আলিবাগ ভ্রমণ, সেই সাইকেল চালানো, টক মিষ্টি খাওয়ার মুহূর্তগুলি, সেই ছোট্ট বাথটাবে বসার চেষ্টা করার সময়, সবই ছিল খুবই মজাদার এবং মিষ্টি। আমার এটাও মনে আছে কিভাবে আমি ব্যাডমিন্টনে তোমাকে হারিয়ে দিতাম। আমার মনে আছে সেই সময়গুলো যখন আমরা ড্রাগনফ্লাই হাই-এর রাস্তায় হেঁটে বেড়াতাম, কাজকর্ম করতাম, আর বিড়ালদের আদর করতাম। আমার মনে আছে সেই খেলাটাও, যেখানে আমরা দুজনেই একই ‘বিষের মিছরি’ বেছে নিয়েছিলাম। কী কাকতালীয়!

আমার আমাদের রবিবারের কথাও মনে আছে। আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা ঘুমাতাম, আর তুমি আমার কানে শিশুর মতো নাক ডাকতে। আমাদের তৈরি নাচের রিলটাও মনে আছে। আমরা খুব মজা করতাম।

শুধু সুখের মুহূর্তগুলিতেই নয়, কঠিন সময়েও তুমি আমার সাথে ছিলে। আমি যখন ফাম্বিতে ছিলাম, তুমি এত দূর থেকে এসেছিলে, আমার স্কুটির চাবি নিয়ে গিয়েছিলে, সমস্ত টোয়িং কাজ করেছিলে। এই সব কে করে? আমি চাই শুধু তুমিই এই চিঠিটা পড়ো। আশা করি তুমি তোমার আত্মসম্মান খুঁজে পাবে। আমাকে পথ দেখানোর জন্য ধন্যবাদ। হয়তো আমি এটার যোগ্য।

তুমি আমাকে এত অপমান করেছো। আমি কি এতটাই খারাপ? তোমার কথাগুলো এতটাই জোরালো ছিল যে আমার জীবন শেষ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। আমি একেবারেই অসাড়। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। আশা করি তুমি খুশি আছো এবং তোমার ভঙ্গুর পুরুষ অহংকার এখন সন্তুষ্ট। আমি আমার জীবনে এতটা নীচ বোধ করিনি। এর চেয়ে খারাপ আর কী হতে পারে?

সবকিছু সত্ত্বেও, আমি নিজেকে নিয়ে হাসতে পারি, কারণ আমি এখনও তোমার সাথে থাকতে চেয়েছিলাম। তোমার কথাগুলো আমার মাথায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তুমি আমাকে চিৎকার করে বলেছিলে। আমার মনে হচ্ছে আমি যদি তোমার সামনে থাকতাম, তাহলে তুমি আমাকে মারতে অথবা খুব হিংস্র হতে।

আমি তোমাকে ভয় পাই। তুমি আমাকে “হ্যাঁ” বলেছিলে, তুমি বলেছিলে যে তুমি আমার উপর তোমার সময় এবং অর্থ নষ্ট করেছ। সত্যি বলতে, আমি কখনোই তোমার সাথে নিরাপদ বোধ করিনি, তবুও আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি বলেছিলে তোমার বাবা আমার সম্পর্কে যা বলেছিলেন তা ঠিক – ছোট মেয়েরা ভালো হয় না। আমরা যখন সম্পর্কে ছিলাম তখন তোমার কাছে বাম্বল অ্যাপ ছিল। আমি তবুও তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। হয়তো আমার আত্মসম্মান ছিল না।জীবন খুবই কঠিন।

ফুজাইল আর আমি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে ছিলাম। তার অনেক খারাপ অভ্যাস ছিল – ধূমপান, মদ্যপান। তবুও আমি সব সহ্য করেছিলাম। হয়তো আমি বোকা ছিলাম। এখন আমি আরও বোকা। কিন্তু আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি।

আমার জীবনে একটা ভারসাম্য ছিল। আমি কাজ করছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু আমরা যখন সম্পর্কে ছিলাম, তখনও সে বাম্বলকে বসিয়েছিল। কিন্তু আমি তা উপেক্ষা করেছিলাম।

যদি সে এতই খারাপ হয়, তাহলে আমাকে এত বিরক্ত করছে কেন? হয়তো আমার কখনোই তার সাথে দেখা হওয়া উচিত ছিল না। আমি কী করব বুঝতে পারছি না। আমি ঠিকমতো বাক্যও লিখতে পারি না। আমার মনে হচ্ছে আমি সবকিছু শেষ করে দিতে চাই।

আমার মনে হয় না আমি এমন কোনও অন্যায় করেছি যার জন্য আমার সাথে এই আচরণ করা হয়েছে। সে আমার স্কুটার ভেঙে ফেলার হুমকি দিয়েছিল। সে আমাকে চিৎকার করেছিল। সে মনে করে সে একজন ভালো লোক, কিন্তু সে তা নয়।

আসলে, সে সবচেয়ে খারাপ লোকদের একজন।

আমি হয়তো বোকা। কিন্তু নিজেকে থামাতে পারছি না। সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।আমি খুবই দুঃখিত।

এই একাকীত্বের অনুভূতি ক্রমশ বাড়ছে। আমার বন্ধুরা খুব ভালো। আমার পরিবারও খুব ভালো। ডঃ বঙ্গ সবসময় আমাকে প্রশ্ন করেন।।আমি একা নই, কিন্তু যদিও আমি তাদের সাথে কথা বলছি, যদি আমি এক মুহূর্তের জন্য একা থাকি, আমার মনে হয় আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ছি।আমি শুধু মৃত্যু নিয়েই ভাবছি। আমি এতটাই অসাড়। আমার মনে হচ্ছে এখন আর কিছুই আমাকে সুস্থ করতে পারবে না। হয়তো কেবল শেষই আমাকে সুস্থ করতে পারবে।

আমি খুব ক্লান্ত। আমার মনে হচ্ছে দুর্ঘটনায় মারা যাব। হয়তো আমি সহজেই মারা যাব।

আমার বন্ধুরা একবার মজা করে বলেছিল – “আমরা তোমার দেহ ফ্রিজে দেখতে চাই না।” সেই সময়, আমি ভেবেছিলাম সবাই এমন নয়। কিন্তু হয়তো তারা ঠিকই বলেছিল। আমি এখন খুব ক্লান্ত। আমি এসব সহ্য করতে পারছি না। জীবনে এত অপমান আমাকে কখনও সহ্য করতে হয়নি।

আমি এই জীবন চাই না। আমি আর জেগে উঠতে চাই না। হয়তো পরকালে আমি শান্তি পাব।

ফুজাইলের জন্য আমি আমার সমস্ত গর্ব এবং আত্মসম্মান ত্যাগ করেছি। আমি তোমাকে অনেকবার ক্ষমা করেছি। কিন্তু এখন আমি এটা সহ্য করতে পারছি না।

মা, বাবা, আমার বোন আর ডক্টর বঙ্গ… দুঃখিত। আমি খুব দুর্বল। আমি এই জীবনটা কাটাতে পারব না। আমি খুব দুঃখিত যে আমি বড় হতে পারিনি, সফল হতে পারিনি, অর্থ উপার্জন করতে পারিনি।

আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু এটা খুব কঠিন। এই চিন্তাটা আমার আগেও অনেকবার এসেছে। কিন্তু এবার আমি এটা থামাতে পারিনি। আমি দুঃখিত।।

Previous Post

রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি সভাপতি, বিধানসভার টিকিট না পাওয়ার সম্ভাবনায় এই সিদ্ধান্ত বলে গুঞ্জন 

Next Post

সাপের কামড়ে অসুস্থ ভাইকে দেখতে যাওয়ার পথে বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু 

Next Post
সাপের কামড়ে অসুস্থ ভাইকে দেখতে যাওয়ার পথে বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু 

সাপের কামড়ে অসুস্থ ভাইকে দেখতে যাওয়ার পথে বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু 

No Result
View All Result

Recent Posts

  • সাপের কামড়ে অসুস্থ ভাইকে দেখতে যাওয়ার পথে বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু 
  • প্রেমিক মহম্মদ খানের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করলেন মুম্বাইয়ের মেডিকেল ছাত্রী ডঃ স্তুতি সোনাওয়ানে ; মর্মস্পর্শী সুইসাইড নোটে উল্লেখ আছে শ্রদ্ধা ওয়াকারের মত টুকরো টুকরো হয়ে ফ্রিজে থাকার কথা
  • রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি সভাপতি, বিধানসভার টিকিট না পাওয়ার সম্ভাবনায় এই সিদ্ধান্ত বলে গুঞ্জন 
  • “হোটেলে মেয়ের ব্যবসায় টাকা নিচ্ছে পার্টির লোকরা….” : তৃণমূলের ব্লক সভাপতিকে সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অডিও বার্তা পোস্ট করলেন অগ্নিমিত্রা পাল 
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উত্তাপ পড়তে চলেছে আইপিএল-এ : একটি আইপিএল ম্যাচের জন্য ৩,০০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন, কি সিদ্ধান্ত নেবে বিসিসিআই ?
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • রাজ্যের খবর
    • কলকাতা
    • জেলার খবর
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলার খবর
  • বিনোদন
  • রকমারি খবর
  • ব্লগ

© 2023 Eidin all rights reserved.