এইদিন ওয়েবডেস্ক,দক্ষিণ ২৪ পরগণা,২৬ মার্চ : দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তীতে বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের সমর্থনে ভোট প্রচারের মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে আজ বৃহস্পতিবার । লুঙ্গি-হাওয়াই চটি পরিহিত কয়েকজন দুষ্কৃতী লাঠি হাতে বিজেপির নেতাকর্মীদের রাস্তার ফেলে ব্যাপক পেটায় । বাদ যায়নি পুলিশও । দুষ্কৃতীদের লাঠির আঘাতে বাসন্তী থানার সৌরভ গুহ নামে এক সাব ইনস্পেকটরের মাথা ফেটে যায় । ভাঙচুর করা একাধিক বাইক । কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের৷
টিভি ৯ বাংলার প্রতিবেদনে জানা গেছে,আজ বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার নির্বাচনী প্রচারে বের হয়েছিলেন । বাসন্তী বাজারে তিনি যখন মিছিল করে যাচ্ছিলেন সেই সময় লুঙ্গি-হাওয়াই চটি পরা কিছু দুষ্কৃতী বাঁশ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে দেয় । বিজেপির নেতাকর্মীদের এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা করার পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয় একাধিক বাইক । খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে দুর্বৃত্তদের দল ল পুলিশের উপরেও হামলা চালায় ৷ সেই সাধারণ পোশাকে ছিলেন বাসন্তী থানার এসআই সৌরভ গুহ । দুষ্কৃতীরা লাঠিসোঁটা হাতে তাড়া করলে তিনি পালাতে গিয়ে রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পড়ে যান৷ ওই অবস্থায় দুষ্কৃতীরা তাকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা করে । মাথা ফেটে যায় তার। তারপর কোনো রকমে তিনি পালিয়ে গিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচান । পরে ক্যানিং, বাসন্তী, গোসাবা কোস্টাল থানার বিশাল পুলিশবাহিনী সেখানে যায়৷ মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও ।
বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ ঘটনা নিন্দা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন,”বাসন্তী বাজারে বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের প্রচার চলাকালীন পুলিশের সামনেই তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী হামলা চালালো। শুধু বিজেপির কর্মীরাই নয়, গুণ্ডারা ফেলে পেটালো পুলিশ বাহিনীকেও। রেহাই পেলেন না এসআই। আসলে তৃণমূল ভয় পেয়েছে, হেরে যাওয়ার ভয়, ক্ষমতা হারানোর ভয়। আর সেই ভয় থেকেই এরকম বেপরোয়া হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। ঠিক এই কারণেই এই রাজ্যে হিন্দুদের জন্য সিএএ প্রয়োজন। এই সন্ত্রাসের জবাব সাধারণ মানুষ নির্বাচনেই দেবে। আর তো মাত্র কিছুদিন…এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও পুলিশ সেই বাহিনীকে ব্যবহার করছে না, রাজনৈতিক স্বার্থে এবং আনুগত্যের স্বার্থে । এই পরিস্থিতির পরিবর্তন দরকার নাহলে এক কোটি সেনা মোতায়েন হলেও রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়।”
