এইদিন ওয়েবডেস্ক,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,০৫ জানুয়ারী : ছেলের মঙ্গলের জন্য খানকা শরীফের তাবিজ আনতে যান এক প্রবাসীর স্ত্রী। কিন্তু খানকা শরীফের তত্ত্বাবধায়কের লালসার শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন তিনি। বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় গত এই ঘটনা ঘটেছে । গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্ত মাওলানা সিরাজুল ইসলামকে (৪৮) আটক করেছে পুলিশ । গুনধর মাওলানা হবিগঞ্জ জেলার মা’ধবপুর উপজেলার বড়গাঁ গ্রামের বাসিন্দা আশিকুল ইসলামের ছেলে।
জানা যায়, খানকায়ে শরীফ মাজারের তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুল ইসলাম মানুষজনকে বিভিন্ন রোগের জন্য তাবিজ দিত । সালামির বিনিময়ে ঝাড়ফুঁকও করত । সেই কারনে নিজের ছেলের অসুস্থতার কারনে ওই বধূ মাওলানা সিরাজুল ইসলামের কাছে তাবিজ আনতে গিয়েছিল । এছাড়া ঝাড়ফুঁকও দেন সালামির বিনিময়ে। তাবিজের জন্য ওই প্রবাসীর স্ত্রীর খানকা শরীফে আসা-যাওয়া ছিল। আর সেই সুযোগে সিরাজুল ইসলাম তাকে মাঝে মধ্যেই ধর্ষণ করত বলে অভিযোগ ।
নবীনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রশিদ জানান, ভোলাচং গ্রামের বাসিন্দা ওই প্রবাসীর স্ত্রী তার ছেলের জন্য তাবিজ আনতে শ্রীরামপুর গ্রামের আবু উলাইয়া খানকা শরীফ যান।
প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন, স্থানীয়রা এ নিয়ে কানাঘুষা শুরু হলে পু’লিশ সিরাজুল ইসলামকে আটক করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।।

