এইদিন ওয়েবডেস্ক,কেরালা,১৫ মার্চ : কেরালার কোঝিকোড় থেকে আরও একটি উদ্বেগজনক ‘লাভ জিহাদ’ (Love Jihad)-এর ঘটনা সামনে এসেছে। কোঝিকোড় জেলার কাক্কাদাম্পয়িলের বাসিন্দা শাহুল হামিদ (২৭) নামে এক মুসলিম যুবক ২১ বছর বয়সী এক দলিত হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করার পর তাকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিচ্ছিল । ওই তরুণী ধর্ম পরিবর্তন করতে অস্বীকার করলে, শাহুল হামিদ তাকে এবং তাদের কোলের সন্তান—উভয়কেই পরিত্যাগ করে গা-ঢাকা দিয়েছে । যদিও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শাহুল হামিদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ।
মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী,শাহুল হামিদ এবং ওই তরুণী একসঙ্গেই কাজ করতেন; কর্মক্ষেত্রে গড়ে ওঠা তাদের এই পরিচয় একসময় প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয় এবং শেষমেশ তা বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়। তরুণীর বিশ্বাস অর্জনের লক্ষ্যে, তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানটি গুরুভায়ুর মন্দিরের প্রাঙ্গণেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। বিয়ের পর তারা একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন এবং পরবর্তীতে তাদের একটি সন্তানও হয়।
ওই তরুণীর ভাষ্যমতে, বিয়ের আগে শাহুল হামিদ ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়ে তাকে কখনোই কিছু উল্লেখ করেননি। তবে বিয়ের পরেই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। শাহুল হামিদের পরিবারের সদস্যরা ওই তরুণীকে তাদের ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য বারবার চাপ দিতে শুরু করে । সন্তান জন্মগ্রহণের পর তাদের আসল উদ্দেশ্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। তারা জোর দিয়ে বলতে থাকে যে, স্বামী এবং স্বামীর পরিবার যদি তাকে ও তার সন্তানকে আপন করে নিক—এমনটা তিনি চান, তবে তাকে অবশ্যই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। তার অভিযোগ যে এরপর থেকে তার উপর শারীরিক নির্যাতন শুরু হয় এবং তাকে জোরপূর্বক পোনানি (Ponnani)-তে নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তরিত করারও চেষ্টা চালানো হয়। তিনি ধর্ম পরিবর্তন করতে অস্বীকৃতি জানালে, শাহুল হামিদ তাকে পরিত্যাগ করে পালিয়ে যায় ।
পরবর্তীতে ওই তরুণী জানতে পারেন যে, অভিযুক্ত শাহুল হামিদ ঠিক একই কৌশলের আশ্রয় নিয়ে অন্য এক খ্রিস্টান তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার এবং তাকে বিয়ে করার পাঁয়তারা কষছে ।এই তথ্য জানার পর, ২১ বছর বয়সী ওই তরুণী পুলিশের দ্বারস্থ হন এবং এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।।
