এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,০১ এপ্রিল : জার্মানির হামবুর্গের একটি স্কুলে জিহাদি হামলার ঘটনা ঘটেছে । বচসার মাঝে একাধিকবার ছুরিকাঘাতের শিকার হওয়ার পর ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই আক্রান্ত কিশোরটির শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছিল; ফলে তাকে জরুরি পুনরুজ্জীবন চিকিৎসা (resuscitation) দিতে হয়েছিল। তার শরীরের একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্নের মধ্যে অন্তত একটি আঘাত সরাসরি পেটে লেগেছিল। এই ঘটনায় জড়িত একজন সিরীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রায় দুই ডজন পুলিশ টহল গাড়ি, একটি পুলিশ হেলিকপ্টার, একটি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর এবং উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য গঠিত একটি বিশেষায়িত দলের সমন্বয়ে পরিচালিত এক বিশাল তল্লাশি অভিযানের পর ১৫ বছর বয়সী দুই মুসলিম কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত দ্বিতীয় কিশোরের পরিবারের নাগরিকত্ব সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে জার্মানির স্কুলগুলোতে মোট হিংসার ৪০ শতাংশেরই নেপথ্যে ছিল বিভিন্ন ইসলামি দেশের নাগরিকরা ; আর এই তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে সিরীয় নাগরিকরা। ‘অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি’ (AfD) দলের সংসদ সদস্য মার্টিন হেসের পক্ষ থেকে উত্থাপিত একটি সংসদীয় প্রশ্নের জবাবে জার্মান সরকার জানিয়েছে যে, সব মিলিয়ে মোট ৪,২৫৪ জন বিদেশি এবং ৭,৩০৯ জন জার্মান নাগরিক হিংসার ঘটনায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোট ১১,৫৫৮ জন সন্দেহভাজনের মধ্যে ১,২৩৬ জনের কাছেই ছিল সিরীয় পাসপোর্ট। পরিসংখ্যানের হিসেবে, স্কুলগুলোতে সংঘটিত প্রতি দশটি সহিংস ঘটনার মধ্যে একটির সঙ্গেই সিরীয়দের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে—যা জার্মানির স্কুলগুলোতে হিংসা বৃদ্ধির পেছনে সিরীয় নাগরিকদের একটি অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে।।
