এইদিন ওয়েবডেস্ক,উত্তর দিনাজপুর,১৫ নভেম্বর : দিল্লির লাল কেল্লার কাছে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের যোগ ক্রমশ গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে৷ মুর্শিদাবাদ,কোচবিহারের পর এবারে উত্তর দিনাজপুরের এক ডাক্তারি পড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা বা এনআইএ । উত্তর দিনাজপুরের সূর্যাপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা নিশার আলম নামে ওই ডাক্তারি পড়ুয়া হরিয়ানার ফরিদাবাদের কুখ্যাত আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস ছাত্র । এই সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে “হোয়াইট কলার টেররিজম বাস্তুতন্ত্র”-এর উন্মোচন করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ।
জানা গেছে,যাহ নিশার আলমের স্থায়ী ঠিকানা পাঞ্জাবের লুধিয়ানা হলেও তাঁদের পৈতৃক বাড়ি ডালখোলা থানার কোনাল গ্রামে। কয়েক দিন আগে এক আত্মীয়ের বিয়েতে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে কোনালে এসেছিল সে । প্রথমে লুধিয়ানায় থাকা নিশারের বাবা তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করে এনআইএ। এরপর তার বর্তমান অবস্থান জেনে মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনে নিশ্চিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সূর্যাপুরে অভিযান চালায় তদন্তকারীরা । রাতভোর নজরদারির পর শুক্রবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাকে বাড়ি থেকে তুলে ইসলামপুরে নিয়ে আসে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-র বিশেষ দল । পরে জিজ্ঞাসাবাদের শিলিগুড়ি-তে স্থানান্তর করা হয়। যদিও এই গ্রেপ্তারের বিষয়ে এনআইএ-এর তরফে কিছু জানানো হয়নি ।
এর আগে মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার নিম গ্রামের মইনুল হাসান নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে যায় এনআইএ। ওই ব্যক্তিকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক মইনুলের সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পারেন । পরে কোচবিহারের দিনহাটা-২ ব্লকের বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের নন্দিনা গ্রামে আরিফ হোসেন নামে আরও একজনের খোঁজে গিয়েছিল তদন্তকারী দল । আদপে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী আরিফ হোসেনের বাড়ি ঢাকায় । নন্দিনা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কৃষক ইসমাইল মিয়াঁর মেয়ের সঙ্গে সে প্রেম বিবাহ করে শ্বশুরবাড়িতে স্থায়ীভাবে ঘাঁটি গাড়ে । তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী যোগ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে সমর্থন করা, সন্ত্রাসে অর্থ সহযোগিতার মত গুরুতর অভিযোগ রয়েছে ।।
Author : Eidin

