এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,১৮ মার্চ : নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানির হত্যাকাণ্ডের পর ইরান উপসাগরীয় দেশগুলির পাশাপাশি ইসরায়েলের ওপর হামলা জোরদার করেছে। এএফপি জানিয়েছে, আজ বুধবার ভোরে দুবাইতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ২,০০০-এর বেশি ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র কার্যকরভাবে প্রতিহত করেছে। নিরাপত্তা কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত তার আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
গতকাল ফুজাইরাহ তেল শিল্প অঞ্চলে ড্রোন হামলায় আগুন লেগে যায়। এতে কোনো হতাহতের খবর নিশ্চিত করা হয়নি। অপরিশোধিত ও পরিশোধিত উভয় প্রকার তেলের জন্যই ফুজাইরাহ একটি কৌশলগত স্থান এবং ইরান সেখানে তার হামলা জোরদার করেছে। এছাড়া, আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ওই এলাকায় পড়ায় একজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
এদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজের কাছে একটি বড় বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালীর কাছে অবস্থিত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোতে একাধিক বাঙ্কার বাস্টার বোমা ফেলা হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি ইমেল বিবৃতিতে লিখেছে, “কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজের কাছে অবস্থিত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোতে ৫,০০০ পাউন্ড (২,২০০ কেজি) ওজনের বোমা ফেলা হয়েছে।”
মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যাখ্যা করেছে যে, ইরানের জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ভান্ডার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য হুমকি হওয়ায় সেগুলি ধ্বংস করা হয়েছে। বেশিরভাগ ন্যাটো দেশ ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করে দেওয়ার পরেই এই মার্কিন হামলাটি চালানো হলো। ট্রাম্প গণমাধ্যমকে বলেছেন যে, এটি মিত্রদের একটি নির্বোধ সিদ্ধান্ত, কেউ আমাদের সাহায্য করতে চায়নি এবং এটি ছিল হতবাক করার মতো।।
