এইদিন ওয়েবডেস্ক,ছত্তিশগড়,১৫ জানুয়ারী : ছত্তিসগড়ের রাজধানী রায়পুরে মানবতাকে লজ্জিত করার মত একটা ঘটনা সামনে এসেছে । যেখানে মাত্র ৯ বছর বয়সী মেয়েকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে লাগাতার ৫ দিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে । শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি জানতে পেরে বজরং দলের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবার । এরপর বজরং দলের কর্মীরা ছুটে এসে নির্যাতিতা শিশু ও তার পরিবারকে নিয়ে রায়পুরের সিভিল লাইন থানায় গিয়ে অভিযুক্তকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে রাসুকার
অধীনে মামলার দাবি জানায় । অভিযোগ পেতেই পুলিশ বৃদ্ধ ধর্ষক আব্দুল সাজ্জাদ আনসারীকে গ্রেপ্তার করে । গতকাল ধৃতকে আদালতে তোলা হলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় ।
জানা গেছে,অভিযুক্ত আব্দুল সাজ্জাদ আনসারী সরকারি চাকরি করত । তার নিজের ৮টি সন্তান আছে । এমনকি ১০ বছরের বেশি বয়সী বেশ কিছু নাতি নাতনিও রয়েছে তার । চাকরি থেকে অবসরের পর সে পাড়ায় একটা চুড়ির দোকান চালায় । খর্বাকৃতির আব্দুল সাজ্জাদ আনসারী নিজের পায়ে ঠিকমত হাঁটতেও পারে না । লাঠি নিয়ে হাঁটাচলা করে সে ।
জানা গেছে,আব্দুল সাজ্জাদ আনসারীর পাড়াতেই বসবাস করে ৯ বছর বয়সী মেয়েটির পরিবার । মেয়েটির বাবা মারা গেছেন । মঙ্গলবার দুপুরব মেয়েটিকে স্নান করাচ্ছিল তার কাকিমা । সেই সময় কাকিমার হাত মেয়েটির গোপনাঙ্গে স্পর্শ লাগলে সে যন্ত্রণায় কাতরে ওঠে । কাকিমা তাকে কারন জিজ্ঞেস করলে শিশুটি সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলে । মেয়েটি জানায় যে আব্দুল সাজ্জাদ আনসারী তাকে চকলেট ও মিষ্টি কিনে দেওয়ার নাম করে তার দোকানে ডেকে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করেছে। বিগত ৫ দিন ধরে সে এই ঘৃণ্য কাজ করছিল । আব্দুল সাজ্জাদ আনসারী মেয়েটিকে হুমকি দেয় যে ঘটনার কথা কাউকে বললে সে তাকে খুন করবে ।
জানা গেছে,শিশুটির কাছ থেকে ঘটনার কথা শুনে বজরং দলের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবার । এরপর বজরং দলের কর্মীরা এসে নির্যাতিতা শিশু ও তার পরিবারকে সঙ্গে থানায় নিয়ে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে । অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায় । বজরং দল অভিযুক্ত বৃদ্ধের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (রাসুকা)-এর আওতায় মামলা দায়ের করার দাবি তুলেছে ।।

