এইদিন আন্তর্জাতিক ডেস্ক,৩০ জানুয়ারী : অস্ট্রেলিয়া থেকে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে । আসলে,৩৩ বছর বয়সী এক বিবাহিত মহিলা শিক্ষিকা সম্প্রতি একটি সন্তানের জন্ম দেন । প্রথমে শিক্ষিকার স্বামী ভেবেছিলেন যে সন্তানটি তারই ঔরসজাত । কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন যে সদ্যজাত শিশুটি তার স্ত্রী স্কুলের এক ছাত্রের । আর ছাত্রটির বয়স মাত্র ১২ বছর । শিক্ষিকার নাম নাওমি তেকেয়া ক্রেইগ(Naomi Tekeya Craig) । তিনি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা এবং ফ্রেডেরিক আরউইন অ্যাংলিকান স্কুলে (Frederick Irwin Anglican School) কর্মরত ছিলেন । ২০২৪ সালের আগস্ট/অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুলের ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে ।
নাওমি তেকেয়া ক্রেইগ আগে থেকেই এক সন্তানের মা । তা সত্ত্বেও, তিনি বিভিন্ন স্থানে ছাত্রীটিকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন এবং তার সাথে শারিরীক সম্পর্ক করতেন । সেই অশ্লীল ভিডিও তিনি নিজের মোবাইল ক্যামেরায় রেকর্ডও করে রেখেছিলেন ।
মামলাটি আরও মর্মান্তিক হয়ে ওঠে যখন ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারী নাওমি তেকেয়া ক্রেইগ একটি সন্তানের জন্ম দেন।ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বাবা একই ভুক্তভোগী ছাত্র । এদিকে শিক্ষিকা সন্তান প্রসবের পর থেকে ১২ বছরের ছেলেটির আচরণে নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।খেলাধুলা নিয়ে কথা বলার পরিবর্তে সে সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করে ।
ক্রেইগকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে । বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন। তার ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। জেলা আদালতে ২৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সাজা ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।।
