এইদিন ওয়েবডেস্ক,বর্ধমান,২৯ জানুয়ারী : অবশেষে শুনানিতে ডাক পাওয়া পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের বত্রিশ বিঘা গ্রামের বাসিন্দা ১০৪ বছরের শেখ ইব্রাহিমের বাড়িতে গিয়ে তার বক্তব্য শুনলো নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা৷ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এআরও মিতালী জানা, মাইক্রো অবজারভার এবং বিএলও তাঁর বাসভবনে তাঁর বক্তব্য শোনেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে,তাঁকে স্ব-ঘোষিত ভোটার হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও, নামের অমিলের কারণে যৌক্তিক অসঙ্গতি রয়েছে। আরও বলা হয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তিনি ২৭৪ জামালপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৪০ নম্বর পার্টের ১৪৮ নম্বর ক্রমে ইব্রাহিম শেখ নামে এবং ২০২৫ সালের খসড়া তালিকায় ২৬২ জামালপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ১৩৮ নম্বর পার্টের ১১১ নম্বর ক্রমে শেখ ইব্রাহিম নামে তালিকাভুক্ত ছিলেন।
জামালপুর-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম বত্রিশবিঘা। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই গ্রামের ১৩৮ নম্বর বুথের ভোটার এবং আদি বাসিন্দা হলেন শেখ ইব্রাহিম । শেখ ইব্রাহিমের স্ত্রী আসেমা বেগম ১৮ বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। ইব্রাহিমের ছয় ছেলে ও দুই মেয়ে। মেয়েরা বিবাহিত। ছেলেরা বত্রিশবিঘা গ্রামে পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করেন । শেখ ইব্রাহিমকে ২৯ জানুয়ারী জামালপুর বিডিও অফিসে সশরীরে ‘শুনানিতে’ হাজির থাকার জন্য নির্বাচন কমিশনের তরফে নোটিশ পাঠানো হয়। ওই নোটিশ তাঁর বাড়িতে পৌছে দেন ১৩৮ নম্বর বুথের বিএলও(BLO) শেখ সাবীর আহমেদ। নোটিশ পাঠানোর কারণ হল তথ্যগত অসঙ্গতি (Logical Discrepancy) । কিন্তু শতবর্ষ উত্তীর্ণ বৃদ্ধকে শুনানিতে ডেকে পাঠানোয় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এলাকায় । শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ওই বৃদ্ধের বাড়িতে বসেই শুনানির ব্যবস্থা করা হয় । আজ বৃহস্পতিবার এআরও-সহ কমিশনের প্রতিনিধিরা বৃদ্ধের বাড়ি গিয়ে তার বক্তব্য শোনেন ।।

