এইদিন ওয়েবডেস্ক,জম্মু-কাশ্মীর,০১ ফেব্রুয়ারী : প্রবল দেশ বিরোধী ও বিচ্ছিনতাকামী কাশ্মীরের কুপওয়ারার বাসিন্দা নাদিয়া বেগ সংখ্যালঘু কোটায় ইউপিএসসি-র ফলাফলে ৩৫০তম স্থান অধিকার করেছেন ।ইউপিএসসিতে উত্তীর্ণ হওয়ার আগে নাদিয়া বেগ তার এক্স হ্যান্ডেলে একের পর এক ভারত বিদ্বেষী ও কাশ্মীরের “আজাদি” র সমর্থনের একের পর এক পোস্ট করেছিলেন। দেশবিরোধী কার্যকলাপে কার্যত পরিপূর্ণ ছিল তার এক্স হ্যান্ডেল । তিনি আসিফ গাফুর এবং ইমরান খানের মতো পাকিস্তানি ব্যক্তিত্বদের সমর্থনে টুইট ও রিটুইট করেছেন । তবে এখন তার এক্স হ্যান্ডেলটি আর দেখা যাবে না । কারন ইউপিএসসি-র ফলাফল বের হওয়ার পরেই অ্যাকাউন্টটি তিনি মুছে দিয়েছেন । কিন্তু অ্যাকাউন্ট মুছে দিলেও তার দেশ বিরোধী মানসিকতার কি পরিবর্তন হবে ? এই প্রশ্ন উঠছে । ইউপিএসসি-র মত একটি গুরুত্বপূর্ণ চাকরিতে এহেন এক দেশবিরোধী উত্তীর্ণ হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মহাবীর জৈন(@Mahaveer_VJ) নামে এক এক্স ব্যবহারকারী বলেছেন,তিনি কাশ্মীরে ভারতের “অবৈধ দখলদারিত্ব” নিয়ে কথা বলেন এবং “স্বাধীন কাশ্মীর”-এর পক্ষে সওয়াল করেন। তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে “গণতন্ত্রের হত্যাকারী” বলে অভিহিত করেন এবং পেলেট গান দিয়ে সংঘটিত নৃশংসতা সম্পর্কে ভুয়া গল্প তৈরি করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ৩৫০তম র্যাঙ্ক নিয়ে তার পক্ষে আইএএস (ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস)-এ সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন,এবার কল্পনা করুন, এই মহিলা যদি সংখ্যালঘু কোটার মাধ্যমে আইএফএস (ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস)-এ যোগ দেন তাহলে ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কী হবে? তার একটি ভুল পদক্ষেপ আমাদের দেশের অন্য কোনো দেশের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে। আর পাকিস্তানিপন্থী আদর্শের অধিকারী এই মহিলার কি পাকিস্তানের প্রতি কোনো দুর্বলতা থাকবে না?
অথবা ধরুন, তিনি যদি ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিস (আইআরএস)-এ যোগ দেন। এর কী নিশ্চয়তা আছে যে ভারতের টাকা আইএসআইএস-এর হাতে যাবে না? সাক্ষাৎকারের প্রক্রিয়ায় জ্ঞানের পাশাপাশি দেশপ্রেম এবং জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকা উচিত নয় কি? আমরা কি সত্যিই এমন আমলা চাই যারা বুরহান ওয়ানি এবং আফজাল গুরুর মতো ব্যক্তিদের সমর্থন করে?
